দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো চালুর প্রক্রিয়া ২০২৬ সালের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সাথে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন। বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা পুনরায় চালু, বেসরকারীকরণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং দেশি-বেদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বৈঠকে বন্ধ থাকা কারখানাগুলো দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করা এবং বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদনে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রক্রিয়াটি ২০২৬ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।
বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো চালুর প্রক্রিয়া ২০২৬ সালের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সাথে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন। বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা পুনরায় চালু, বেসরকারীকরণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং দেশি-বেদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বৈঠকে বন্ধ থাকা কারখানাগুলো দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করা এবং বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদনে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রক্রিয়াটি ২০২৬ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।
বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন