ভারতের মহারাষ্ট্রে ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট প্রবল স্রোতে একটি গাড়ি নদীতে ভেসে গিয়ে একই পরিবারের তিন সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গাছের ডাল আঁকড়ে ধরে প্রাণে বেঁচে যান পরিবারের কর্তা।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) উদ্ধার অভিযান শেষে নিহত মা ও তার দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার পরিবারটি মহারাষ্ট্রের আহিলইয়ানগর জেলায় যাচ্ছিল। টানা ভারী বর্ষণে কুপ্তি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে উঠে যায় এবং নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতু পানিতে তলিয়ে যায়।
গাড়ির চালক সেতুর ওপর পানির গভীরতা ও প্রবল স্রোতের তীব্রতা বুঝতে না পেরে গাড়িটি সেতুর ওপর উঠিয়ে দেন। মুহূর্তেই স্রোতের তোড়ে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর মাঝখানে ভেসে যায়।
এ সময় পরিবারের কর্তা অভিনাশ খান্দারে দ্রুত একটি গাছের ডাল ধরে নিজের প্রাণ রক্ষা করতে সক্ষম হন। কিন্তু তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে গাড়িসহ নদীর স্রোতে ভেসে যান। অসহায় বাবা চোখের সামনে প্রিয়জনদের ভেসে যেতে দেখলেও তাদের বাঁচানোর কোনো সুযোগ পাননি।
খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাতভর অভিযান চালায়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর শুক্রবার সকালে মা ও দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভারী বর্ষণের সময় প্লাবিত সেতু ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে চলাচল থেকে বিরত থাকার জন্য বারবার সতর্কতা জারি করা হলেও অনেক সময় পরিস্থিতি সঠিকভাবে অনুধাবন করতে না পারায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
ভারতের মহারাষ্ট্রে ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট প্রবল স্রোতে একটি গাড়ি নদীতে ভেসে গিয়ে একই পরিবারের তিন সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গাছের ডাল আঁকড়ে ধরে প্রাণে বেঁচে যান পরিবারের কর্তা।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) উদ্ধার অভিযান শেষে নিহত মা ও তার দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার পরিবারটি মহারাষ্ট্রের আহিলইয়ানগর জেলায় যাচ্ছিল। টানা ভারী বর্ষণে কুপ্তি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে উঠে যায় এবং নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতু পানিতে তলিয়ে যায়।
গাড়ির চালক সেতুর ওপর পানির গভীরতা ও প্রবল স্রোতের তীব্রতা বুঝতে না পেরে গাড়িটি সেতুর ওপর উঠিয়ে দেন। মুহূর্তেই স্রোতের তোড়ে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর মাঝখানে ভেসে যায়।
এ সময় পরিবারের কর্তা অভিনাশ খান্দারে দ্রুত একটি গাছের ডাল ধরে নিজের প্রাণ রক্ষা করতে সক্ষম হন। কিন্তু তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে গাড়িসহ নদীর স্রোতে ভেসে যান। অসহায় বাবা চোখের সামনে প্রিয়জনদের ভেসে যেতে দেখলেও তাদের বাঁচানোর কোনো সুযোগ পাননি।
খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাতভর অভিযান চালায়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর শুক্রবার সকালে মা ও দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভারী বর্ষণের সময় প্লাবিত সেতু ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে চলাচল থেকে বিরত থাকার জন্য বারবার সতর্কতা জারি করা হলেও অনেক সময় পরিস্থিতি সঠিকভাবে অনুধাবন করতে না পারায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে।

আপনার মতামত লিখুন