অস্ট্রেলিয়ার একটি পাবলিক লাইব্রেরিতে প্রায় দেড় শতাব্দী আগে ধার নেওয়া একটি বই অবশেষে ফেরত এসেছে। দীর্ঘ ১৫০ বছর পর বইটি ফেরত দেওয়ায় লাইব্রেরির পুরোনো নিয়ম অনুযায়ী এর বিলম্ব ফি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯ লাখ টাকা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র এক প্রতিবেদনে শুক্রবার (৩১ জুলাই) এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত ‘Antiquities of Athens’ বইটি গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্রতীরবর্তী শহর কিয়ামার একটি পাবলিক লাইব্রেরিতে ফেরত দেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। তিনি জানান, বাড়ি সংস্কারের সময় একটি বন্ধ ফায়ারপ্লেসের ভেতরে ইট দিয়ে আটকানো একটি চায়ের বাক্সে বইটি খুঁজে পান। কিয়ামা লাইব্রেরির ম্যানেজার মিশেল হাডসন জানান, লাইব্রেরির ১৮৭২ সালের নিয়ম অনুযায়ী বিলম্ব ফি ছিল প্রতি সপ্তাহে তিন পেন্স। বর্তমান মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় সেই জরিমানার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ দশমিক ৭ লাখ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯ লাখ টাকার সমান। তিনি বলেন, “এত পুরোনো কোনো বই আমাদের কাছে আগে কখনো ফেরত আসেনি। সাধারণত ৩০ বা ৪০ বছর পর বই ফেরত আসার ঘটনা শোনা যায়, কিন্তু ১৫০ বছর পর এটি ফিরে আসা সত্যিই বিরল।” লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ জানায়, বইটির প্রকৃত ধারকারী কে ছিলেন, তা আর জানা সম্ভব নয়। কারণ ১৮৭০-এর দশকের ধার নেওয়ার রেজিস্টার বহু আগেই হারিয়ে গেছে। ফলে বইটি কার কাছে ছিল, সে তথ্য আর সংরক্ষিত নেই। দীর্ঘদিন চিমনির ভেতরে পড়ে থাকায় বইটির বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এটিকে এখন লাইব্রেরির ঐতিহাসিক সংগ্রহের অংশ হিসেবে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা হবে। মিশেল হাডসন মজা করে বলেন, “এবার বইটি আর বাইরে যেতে দেওয়া হবে না। এটি ফেরত পেতে আমাদের আর ১৫০ বছর অপেক্ষা করতে হবে—এমনটা আমরা চাই না।”

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ার একটি পাবলিক লাইব্রেরিতে প্রায় দেড় শতাব্দী আগে ধার নেওয়া একটি বই অবশেষে ফেরত এসেছে। দীর্ঘ ১৫০ বছর পর বইটি ফেরত দেওয়ায় লাইব্রেরির পুরোনো নিয়ম অনুযায়ী এর বিলম্ব ফি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯ লাখ টাকা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র এক প্রতিবেদনে শুক্রবার (৩১ জুলাই) এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত ‘Antiquities of Athens’ বইটি গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্রতীরবর্তী শহর কিয়ামার একটি পাবলিক লাইব্রেরিতে ফেরত দেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। তিনি জানান, বাড়ি সংস্কারের সময় একটি বন্ধ ফায়ারপ্লেসের ভেতরে ইট দিয়ে আটকানো একটি চায়ের বাক্সে বইটি খুঁজে পান। কিয়ামা লাইব্রেরির ম্যানেজার মিশেল হাডসন জানান, লাইব্রেরির ১৮৭২ সালের নিয়ম অনুযায়ী বিলম্ব ফি ছিল প্রতি সপ্তাহে তিন পেন্স। বর্তমান মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় সেই জরিমানার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ দশমিক ৭ লাখ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯ লাখ টাকার সমান। তিনি বলেন, “এত পুরোনো কোনো বই আমাদের কাছে আগে কখনো ফেরত আসেনি। সাধারণত ৩০ বা ৪০ বছর পর বই ফেরত আসার ঘটনা শোনা যায়, কিন্তু ১৫০ বছর পর এটি ফিরে আসা সত্যিই বিরল।” লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ জানায়, বইটির প্রকৃত ধারকারী কে ছিলেন, তা আর জানা সম্ভব নয়। কারণ ১৮৭০-এর দশকের ধার নেওয়ার রেজিস্টার বহু আগেই হারিয়ে গেছে। ফলে বইটি কার কাছে ছিল, সে তথ্য আর সংরক্ষিত নেই। দীর্ঘদিন চিমনির ভেতরে পড়ে থাকায় বইটির বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এটিকে এখন লাইব্রেরির ঐতিহাসিক সংগ্রহের অংশ হিসেবে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা হবে। মিশেল হাডসন মজা করে বলেন, “এবার বইটি আর বাইরে যেতে দেওয়া হবে না। এটি ফেরত পেতে আমাদের আর ১৫০ বছর অপেক্ষা করতে হবে—এমনটা আমরা চাই না।”

আপনার মতামত লিখুন