আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের শুনানি শুরু হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।
মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এক সমাবেশে প্রকাশ্যে গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল রায় দেন। রায়ে বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির মৃত্যু হয়।
নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল হাইকোর্টে যায়। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন।
হাইকোর্টের রায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। এছাড়া সাতজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হয় এবং ১১ জনকে খালাস দেওয়া হয়।
মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নূরুল ইসলাম সরকার, নূরুল ইসলাম দীপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ ও সোহাগ ওরফে সরু। এছাড়া যাবজ্জীবন বহাল রাখা হয় টিপু ও নূরুল আমিনের।
পরবর্তীতে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দণ্ডিত আসামিরা আপিল করেন। সেই আপিলের শুনানিই এখন আপিল বিভাগে চলছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের শুনানি শুরু হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।
মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এক সমাবেশে প্রকাশ্যে গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল রায় দেন। রায়ে বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির মৃত্যু হয়।
নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল হাইকোর্টে যায়। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন।
হাইকোর্টের রায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। এছাড়া সাতজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হয় এবং ১১ জনকে খালাস দেওয়া হয়।
মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নূরুল ইসলাম সরকার, নূরুল ইসলাম দীপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ ও সোহাগ ওরফে সরু। এছাড়া যাবজ্জীবন বহাল রাখা হয় টিপু ও নূরুল আমিনের।
পরবর্তীতে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দণ্ডিত আসামিরা আপিল করেন। সেই আপিলের শুনানিই এখন আপিল বিভাগে চলছে।

আপনার মতামত লিখুন