যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে দ্রুত একটি সমঝোতা চুক্তি হলে তিনি দেশটির ওপর পরিকল্পিত সামরিক হামলা বাতিল করতে প্রস্তুত।
ট্রাম্পের দাবি, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য সময় চেয়েছে। সেই চুক্তির লক্ষ্য হবে:
হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া।ইরানের পারমাণবিক হুমকির অবসান ঘটানো।তিনি আরও বলেন, বিশ্বের স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধ ইরানের স্বার্থে তিনি হামলা বাতিল করতে রাজি, তবে দ্রুত চুক্তি হতে হবে।ট্রাম্প কোন কোন দেশ এ অনুরোধ জানিয়েছে, তা উল্লেখ করেননি। তবে তিনি জানান, ইসরায়েলও এ সিদ্ধান্তে সম্মত হয়েছে।
এই মন্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
এর আগে ইরান অভিযোগ করেছিল যে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে এবং সতর্ক করেছিল যে, যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক সহায়তা দেওয়া আঞ্চলিক দেশগুলোও সংঘাতের মুখে পড়তে পারে।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে পরামর্শ দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে চুক্তির প্রস্তাব এবং অন্যদিকে হামলার হুমকি—এই দুই ধরনের বার্তা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করতে পারে।
উল্লেখ্য, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মূলত তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি ঘোষণা। কোনো সম্ভাব্য চুক্তি বাস্তবে সম্পন্ন হয়েছে বা হামলা আনুষ্ঠানিকভাবে স্থায়ীভাবে বাতিল হয়েছে—এমন তথ্য এখনও নিশ্চিত হয়নি।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে দ্রুত একটি সমঝোতা চুক্তি হলে তিনি দেশটির ওপর পরিকল্পিত সামরিক হামলা বাতিল করতে প্রস্তুত।
ট্রাম্পের দাবি, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য সময় চেয়েছে। সেই চুক্তির লক্ষ্য হবে:
হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া।ইরানের পারমাণবিক হুমকির অবসান ঘটানো।তিনি আরও বলেন, বিশ্বের স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধ ইরানের স্বার্থে তিনি হামলা বাতিল করতে রাজি, তবে দ্রুত চুক্তি হতে হবে।ট্রাম্প কোন কোন দেশ এ অনুরোধ জানিয়েছে, তা উল্লেখ করেননি। তবে তিনি জানান, ইসরায়েলও এ সিদ্ধান্তে সম্মত হয়েছে।
এই মন্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
এর আগে ইরান অভিযোগ করেছিল যে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে এবং সতর্ক করেছিল যে, যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক সহায়তা দেওয়া আঞ্চলিক দেশগুলোও সংঘাতের মুখে পড়তে পারে।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে পরামর্শ দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে চুক্তির প্রস্তাব এবং অন্যদিকে হামলার হুমকি—এই দুই ধরনের বার্তা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করতে পারে।
উল্লেখ্য, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মূলত তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি ঘোষণা। কোনো সম্ভাব্য চুক্তি বাস্তবে সম্পন্ন হয়েছে বা হামলা আনুষ্ঠানিকভাবে স্থায়ীভাবে বাতিল হয়েছে—এমন তথ্য এখনও নিশ্চিত হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন