নজর বিডি
প্রকাশ : সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬

পরিবেশ সংরক্ষণে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

পরিবেশ সংরক্ষণে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

পরিবেশ সংরক্ষণে নাগরিক হিসেবে প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের পরিবেশ সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখতে যত্রতত্র প্লাস্টিক ও আবর্জনা না ফেলে, তা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার জন্য দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৩ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় সরকার প্রধান এই আহ্বান জানান।

ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী পরিবেশের বর্তমান চিত্র নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন,

"ঢাকা শহরসহ দেশের যেকোনো জেলা, উপজেলা কিংবা গ্রামগঞ্জের জনবহুল ও বাজার এলাকাগুলোতে নজর দিলেই একটি দৃশ্য বারবার চোখে পড়ে। আজ থেকে ৩০ বা ৪০ বছর আগে আমাদের বাল্যকালে কিন্তু এমন চিত্র ছিল না। বর্তমানে চারিদিকে মানুষের ব্যবহার করা টিস্যু, চিপসের প্যাকেট, রান্নার তেল ও পানীয়র প্লাস্টিকের বোতলসহ নানা ধরনের আবর্জনা যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে; কোথাও কোথাও জমে আছে ময়লার স্তূপ। আমরা যে ঘরে বা বাসায় থাকি, সেখানে যদি এভাবে আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকত, তবে তা কারোরই দেখতে ভালো লাগত না।"

পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী কবি সাহিত্যিকদের উদ্ধৃতি টেনে বলেন,

"কবি তো সুন্দরভাবেই লিখেছেন— ‘সবুজ শস্য-শ্যামল আমাদের দেশ’। আমরা কেন আমাদের পরিবেশটাকে সুন্দর রাখতে পারব না? পথচারী যখন যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার স্তূপ দেখেন, তখন তারা কষ্ট পান। আমরা যদি সবাই মিলে একটু সচেতন হই, নিজেদের ব্যবহার করা আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় জমা করি, তাহলে আমাদের পরিবেশটি যেমন ভালো থাকবে, ঠিক একইভাবে আমরা পরিবেশকে সুন্দরভাবে ধরে রাখতে পারবো।"

প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, গত কয়েক মাসে তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গা সফর করেছেন। সেখানে অনেক পুকুরের পানিতে ময়লার স্তূপ দেখতে পেয়েছেন। অথচ একসময় মানুষ এসব পুকুরপাড়ে বিকেলে পরিবার নিয়ে গল্প করত, যা এখন আবর্জনার কারণে আর সম্ভব হয় না।

শহরের পার্কগুলোর উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন,

  • আমরা পরিবার-পরিজনকে সঙ্গে নিয়ে বিকেল বেলা বিভিন্ন পার্কে যাই।

  • কিন্তু সেখানে গিয়ে চিপস, বাদাম বা লজেন্স খেয়ে প্যাকেটটি সেখানেই ফেলে আসি।

  • পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পরিষ্কার করলেও আমাদের অসচেতনতার কারণে পরিবেশ দ্রুত নোংরা হয়ে যায়।

ভিডিও বার্তার শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "আসুন— আমরা আজ থেকে প্রত্যেকে সচেতন হয়ে আমাদের ব্যবহৃত আবর্জনা যদি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলি, তাহলে ধীরে ধীরে হয়তো আমরা আমাদের এই বাংলাদেশটাকে আবর্জনামুক্ত করতে পারবো এবং একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবো।"

সোমবার (৩ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় সরকার প্রধান এই আহ্বান জানান।

ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী পরিবেশের বর্তমান চিত্র নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন,

"ঢাকা শহরসহ দেশের যেকোনো জেলা, উপজেলা কিংবা গ্রামগঞ্জের জনবহুল ও বাজার এলাকাগুলোতে নজর দিলেই একটি দৃশ্য বারবার চোখে পড়ে। আজ থেকে ৩০ বা ৪০ বছর আগে আমাদের বাল্যকালে কিন্তু এমন চিত্র ছিল না। বর্তমানে চারিদিকে মানুষের ব্যবহার করা টিস্যু, চিপসের প্যাকেট, রান্নার তেল ও পানীয়র প্লাস্টিকের বোতলসহ নানা ধরনের আবর্জনা যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে; কোথাও কোথাও জমে আছে ময়লার স্তূপ। আমরা যে ঘরে বা বাসায় থাকি, সেখানে যদি এভাবে আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকত, তবে তা কারোরই দেখতে ভালো লাগত না।"

পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী কবি সাহিত্যিকদের উদ্ধৃতি টেনে বলেন,

"কবি তো সুন্দরভাবেই লিখেছেন— ‘সবুজ শস্য-শ্যামল আমাদের দেশ’। আমরা কেন আমাদের পরিবেশটাকে সুন্দর রাখতে পারব না? পথচারী যখন যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার স্তূপ দেখেন, তখন তারা কষ্ট পান। আমরা যদি সবাই মিলে একটু সচেতন হই, নিজেদের ব্যবহার করা আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় জমা করি, তাহলে আমাদের পরিবেশটি যেমন ভালো থাকবে, ঠিক একইভাবে আমরা পরিবেশকে সুন্দরভাবে ধরে রাখতে পারবো।"

প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, গত কয়েক মাসে তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গা সফর করেছেন। সেখানে অনেক পুকুরের পানিতে ময়লার স্তূপ দেখতে পেয়েছেন। অথচ একসময় মানুষ এসব পুকুরপাড়ে বিকেলে পরিবার নিয়ে গল্প করত, যা এখন আবর্জনার কারণে আর সম্ভব হয় না।

শহরের পার্কগুলোর উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন,

  • আমরা পরিবার-পরিজনকে সঙ্গে নিয়ে বিকেল বেলা বিভিন্ন পার্কে যাই।

  • কিন্তু সেখানে গিয়ে চিপস, বাদাম বা লজেন্স খেয়ে প্যাকেটটি সেখানেই ফেলে আসি।

  • পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পরিষ্কার করলেও আমাদের অসচেতনতার কারণে পরিবেশ দ্রুত নোংরা হয়ে যায়।

ভিডিও বার্তার শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "আসুন— আমরা আজ থেকে প্রত্যেকে সচেতন হয়ে আমাদের ব্যবহৃত আবর্জনা যদি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলি, তাহলে ধীরে ধীরে হয়তো আমরা আমাদের এই বাংলাদেশটাকে আবর্জনামুক্ত করতে পারবো এবং একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবো।"

বিষয় : পরিবেশ সংরক্ষণে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পরিবেশ সংরক্ষণে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পরিবেশ সংরক্ষণে নাগরিক হিসেবে প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের পরিবেশ সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখতে যত্রতত্র প্লাস্টিক ও আবর্জনা না ফেলে, তা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার জন্য দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৩ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় সরকার প্রধান এই আহ্বান জানান।

ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী পরিবেশের বর্তমান চিত্র নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন,

"ঢাকা শহরসহ দেশের যেকোনো জেলা, উপজেলা কিংবা গ্রামগঞ্জের জনবহুল ও বাজার এলাকাগুলোতে নজর দিলেই একটি দৃশ্য বারবার চোখে পড়ে। আজ থেকে ৩০ বা ৪০ বছর আগে আমাদের বাল্যকালে কিন্তু এমন চিত্র ছিল না। বর্তমানে চারিদিকে মানুষের ব্যবহার করা টিস্যু, চিপসের প্যাকেট, রান্নার তেল ও পানীয়র প্লাস্টিকের বোতলসহ নানা ধরনের আবর্জনা যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে; কোথাও কোথাও জমে আছে ময়লার স্তূপ। আমরা যে ঘরে বা বাসায় থাকি, সেখানে যদি এভাবে আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকত, তবে তা কারোরই দেখতে ভালো লাগত না।"

পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী কবি সাহিত্যিকদের উদ্ধৃতি টেনে বলেন,

"কবি তো সুন্দরভাবেই লিখেছেন— ‘সবুজ শস্য-শ্যামল আমাদের দেশ’। আমরা কেন আমাদের পরিবেশটাকে সুন্দর রাখতে পারব না? পথচারী যখন যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার স্তূপ দেখেন, তখন তারা কষ্ট পান। আমরা যদি সবাই মিলে একটু সচেতন হই, নিজেদের ব্যবহার করা আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় জমা করি, তাহলে আমাদের পরিবেশটি যেমন ভালো থাকবে, ঠিক একইভাবে আমরা পরিবেশকে সুন্দরভাবে ধরে রাখতে পারবো।"

প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, গত কয়েক মাসে তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গা সফর করেছেন। সেখানে অনেক পুকুরের পানিতে ময়লার স্তূপ দেখতে পেয়েছেন। অথচ একসময় মানুষ এসব পুকুরপাড়ে বিকেলে পরিবার নিয়ে গল্প করত, যা এখন আবর্জনার কারণে আর সম্ভব হয় না।

শহরের পার্কগুলোর উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন,

  • আমরা পরিবার-পরিজনকে সঙ্গে নিয়ে বিকেল বেলা বিভিন্ন পার্কে যাই।

  • কিন্তু সেখানে গিয়ে চিপস, বাদাম বা লজেন্স খেয়ে প্যাকেটটি সেখানেই ফেলে আসি।

  • পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পরিষ্কার করলেও আমাদের অসচেতনতার কারণে পরিবেশ দ্রুত নোংরা হয়ে যায়।

ভিডিও বার্তার শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "আসুন— আমরা আজ থেকে প্রত্যেকে সচেতন হয়ে আমাদের ব্যবহৃত আবর্জনা যদি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলি, তাহলে ধীরে ধীরে হয়তো আমরা আমাদের এই বাংলাদেশটাকে আবর্জনামুক্ত করতে পারবো এবং একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবো।"

সোমবার (৩ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় সরকার প্রধান এই আহ্বান জানান।

ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী পরিবেশের বর্তমান চিত্র নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন,

"ঢাকা শহরসহ দেশের যেকোনো জেলা, উপজেলা কিংবা গ্রামগঞ্জের জনবহুল ও বাজার এলাকাগুলোতে নজর দিলেই একটি দৃশ্য বারবার চোখে পড়ে। আজ থেকে ৩০ বা ৪০ বছর আগে আমাদের বাল্যকালে কিন্তু এমন চিত্র ছিল না। বর্তমানে চারিদিকে মানুষের ব্যবহার করা টিস্যু, চিপসের প্যাকেট, রান্নার তেল ও পানীয়র প্লাস্টিকের বোতলসহ নানা ধরনের আবর্জনা যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে; কোথাও কোথাও জমে আছে ময়লার স্তূপ। আমরা যে ঘরে বা বাসায় থাকি, সেখানে যদি এভাবে আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকত, তবে তা কারোরই দেখতে ভালো লাগত না।"

পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী কবি সাহিত্যিকদের উদ্ধৃতি টেনে বলেন,

"কবি তো সুন্দরভাবেই লিখেছেন— ‘সবুজ শস্য-শ্যামল আমাদের দেশ’। আমরা কেন আমাদের পরিবেশটাকে সুন্দর রাখতে পারব না? পথচারী যখন যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার স্তূপ দেখেন, তখন তারা কষ্ট পান। আমরা যদি সবাই মিলে একটু সচেতন হই, নিজেদের ব্যবহার করা আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় জমা করি, তাহলে আমাদের পরিবেশটি যেমন ভালো থাকবে, ঠিক একইভাবে আমরা পরিবেশকে সুন্দরভাবে ধরে রাখতে পারবো।"

প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, গত কয়েক মাসে তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গা সফর করেছেন। সেখানে অনেক পুকুরের পানিতে ময়লার স্তূপ দেখতে পেয়েছেন। অথচ একসময় মানুষ এসব পুকুরপাড়ে বিকেলে পরিবার নিয়ে গল্প করত, যা এখন আবর্জনার কারণে আর সম্ভব হয় না।

শহরের পার্কগুলোর উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন,

  • আমরা পরিবার-পরিজনকে সঙ্গে নিয়ে বিকেল বেলা বিভিন্ন পার্কে যাই।

  • কিন্তু সেখানে গিয়ে চিপস, বাদাম বা লজেন্স খেয়ে প্যাকেটটি সেখানেই ফেলে আসি।

  • পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পরিষ্কার করলেও আমাদের অসচেতনতার কারণে পরিবেশ দ্রুত নোংরা হয়ে যায়।

ভিডিও বার্তার শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "আসুন— আমরা আজ থেকে প্রত্যেকে সচেতন হয়ে আমাদের ব্যবহৃত আবর্জনা যদি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলি, তাহলে ধীরে ধীরে হয়তো আমরা আমাদের এই বাংলাদেশটাকে আবর্জনামুক্ত করতে পারবো এবং একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবো।"


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত