রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। নিহত কিশোরীর নাম মিম আক্তার (১৫)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—এ বি এম আব্দুর রাজ্জাক (৪৭), মো. ফয়সল আহমেদ (৩৫) ও রাহেমা খাতুন রেশমা (২৯)।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ১০ মিনিটে রাজধানীর ডেমরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ১২ আগস্ট ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা কিশোরীর মরদেহ ফেলে রেখে চলে যায়। খবর পেয়ে শাহবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
এ ঘটনায় মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে শাহবাগ থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। ১৩ আগস্ট শাহবাগ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছিল।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ঘটনা আড়াল করার উদ্দেশ্যে অভিযুক্তরা মিম আক্তারের মরদেহ হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তার এড়াতে তারা নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার বাসা ছেড়ে আত্মগোপন করে।
এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। কিশোরীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। নিহত কিশোরীর নাম মিম আক্তার (১৫)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—এ বি এম আব্দুর রাজ্জাক (৪৭), মো. ফয়সল আহমেদ (৩৫) ও রাহেমা খাতুন রেশমা (২৯)।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ১০ মিনিটে রাজধানীর ডেমরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ১২ আগস্ট ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা কিশোরীর মরদেহ ফেলে রেখে চলে যায়। খবর পেয়ে শাহবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
এ ঘটনায় মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে শাহবাগ থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। ১৩ আগস্ট শাহবাগ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছিল।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ঘটনা আড়াল করার উদ্দেশ্যে অভিযুক্তরা মিম আক্তারের মরদেহ হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তার এড়াতে তারা নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার বাসা ছেড়ে আত্মগোপন করে।
এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। কিশোরীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন