আশুলিয়ায় পাঁচ বছরের শিশু আব্দুর রহমান তাসিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাইফুল ইসলাম নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে আশুলিয়া থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার) জাহাঙ্গীর আলম।
তিনি জানান, গত ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ভাদাইল এলাকার একটি ভবনের ছাদ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু আব্দুর রহমান তাসিনের মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া আলামতের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে সাইফুল ইসলামকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে নিহত শিশুর মরদেহের সঙ্গে পাওয়া আলামতের সঙ্গে সামঞ্জস্য খুঁজতে সাইফুলের কক্ষ তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিতে আসামির দেখানো লাল রঙের একটি শপিং ব্যাগ, দুই টুকরা ইলাস্টিক এবং ঘরের মেঝে ও খাটের নিচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা চাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া চালের সঙ্গে নিহত শিশুর মুখে পাওয়া চালের মিল রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
পরে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুই দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সাইফুল ইসলাম শিশু আব্দুর রহমান তাসিনকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পূর্বের আক্রোশের জেরে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তবে নিহত শিশুর বাবা শহিদ মিয়া দাবি করেছেন, সাইফুল ইসলামের সঙ্গে তার কোনো শত্রুতা ছিল না। তারা একসঙ্গে চলাফেরা করতেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
আশুলিয়ায় পাঁচ বছরের শিশু আব্দুর রহমান তাসিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাইফুল ইসলাম নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে আশুলিয়া থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার) জাহাঙ্গীর আলম।
তিনি জানান, গত ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ভাদাইল এলাকার একটি ভবনের ছাদ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু আব্দুর রহমান তাসিনের মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া আলামতের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে সাইফুল ইসলামকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে নিহত শিশুর মরদেহের সঙ্গে পাওয়া আলামতের সঙ্গে সামঞ্জস্য খুঁজতে সাইফুলের কক্ষ তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিতে আসামির দেখানো লাল রঙের একটি শপিং ব্যাগ, দুই টুকরা ইলাস্টিক এবং ঘরের মেঝে ও খাটের নিচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা চাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া চালের সঙ্গে নিহত শিশুর মুখে পাওয়া চালের মিল রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
পরে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুই দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সাইফুল ইসলাম শিশু আব্দুর রহমান তাসিনকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পূর্বের আক্রোশের জেরে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তবে নিহত শিশুর বাবা শহিদ মিয়া দাবি করেছেন, সাইফুল ইসলামের সঙ্গে তার কোনো শত্রুতা ছিল না। তারা একসঙ্গে চলাফেরা করতেন।

আপনার মতামত লিখুন