চাঁপাইনবাবগঞ্জে অটোরিকশাচালক রুমন হত্যা: ৩ আসামি গ্রেপ্তার, আঁখক্ষেত থেকে পচা মরদেহ উদ্ধার
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে নিখোঁজ অটোরিকশাচালক রুমন আলী (২৩) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে মরদেহ একটি আঁখক্ষেতে গুম করে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় জড়িত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পচে যাওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর ১২টায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য জানান চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ আগস্ট সকালে নিজ বাড়ি থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হন শিবগঞ্জের মোহনবাগ এলাকার রুমন আলী। পরদিন তার পালিত পিতা একরামুল হক শিবগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেন। তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে এসআই সৌরভ কুমার দত্ত সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তির সহায়তায় ২৩ আগস্ট ওয়াসিম ওরফে অসিম এবং রফিকুল আলম নামে দুজনকে আটক করেন।
আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা রুমনকে হত্যা করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের অটোরিকশাটি মাত্র ৭০ হাজার টাকায় বাগদূর্গাপুরের উমর ফারুকের কাছে বিক্রি করে দেয়। পরে পুলিশ উমর ফারুকের বাড়ি থেকে ছিনতাই হওয়া অটোরিকশাটি উদ্ধার করে এবং তাকেও আটক করে।
এ ঘটনায় রুমনের স্ত্রী নাজমা সুলতানা (১৯) বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলে আসামিদের আদালত ৩ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠায়। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে মরদেহ গুমের স্থান দেখিয়ে দিতে রাজি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ২৬ আগস্ট বিকেলে পুলিশ আসামিদের সঙ্গে নিয়ে পুটিমারী বিলের একটি আঁখক্ষেতে অভিযান চালিয়ে রুমনের পচে যাওয়া মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরনের কাপড়, বেল্ট ও মোবাইল দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন তার স্ত্রী।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন:
১. মো. ওয়াসিম ওরফে অসিম (৩০) — সেলিমাবাদ খানপাড়া
২. মো. রফিকুল আলম (৩৪) — বিশ্বনাথপুর
৩. মো. উমর ফারুক (২৯) — বাগদূর্গাপুর কলকলিয়া
অভিযানে পুলিশ ছিনতাইকৃত অটোরিকশা, ৪টি মোবাইল ফোন, নিহতের ব্যবহৃত স্যান্ডেল এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি কাঠের বাটযুক্ত ধারালো হাসুয়া (কান্তাই) জব্দ করেছে।
পুলিশ সুপার জানান, মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার নেপথ্যে আর কোনো বিষয় আছে কি না তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অটোরিকশাচালক রুমন হত্যা: ৩ আসামি গ্রেপ্তার, আঁখক্ষেত থেকে পচা মরদেহ উদ্ধার
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে নিখোঁজ অটোরিকশাচালক রুমন আলী (২৩) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে মরদেহ একটি আঁখক্ষেতে গুম করে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় জড়িত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পচে যাওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর ১২টায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য জানান চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ আগস্ট সকালে নিজ বাড়ি থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হন শিবগঞ্জের মোহনবাগ এলাকার রুমন আলী। পরদিন তার পালিত পিতা একরামুল হক শিবগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেন। তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে এসআই সৌরভ কুমার দত্ত সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তির সহায়তায় ২৩ আগস্ট ওয়াসিম ওরফে অসিম এবং রফিকুল আলম নামে দুজনকে আটক করেন।
আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা রুমনকে হত্যা করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের অটোরিকশাটি মাত্র ৭০ হাজার টাকায় বাগদূর্গাপুরের উমর ফারুকের কাছে বিক্রি করে দেয়। পরে পুলিশ উমর ফারুকের বাড়ি থেকে ছিনতাই হওয়া অটোরিকশাটি উদ্ধার করে এবং তাকেও আটক করে।
এ ঘটনায় রুমনের স্ত্রী নাজমা সুলতানা (১৯) বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলে আসামিদের আদালত ৩ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠায়। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে মরদেহ গুমের স্থান দেখিয়ে দিতে রাজি হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ২৬ আগস্ট বিকেলে পুলিশ আসামিদের সঙ্গে নিয়ে পুটিমারী বিলের একটি আঁখক্ষেতে অভিযান চালিয়ে রুমনের পচে যাওয়া মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরনের কাপড়, বেল্ট ও মোবাইল দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন তার স্ত্রী।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন:
১. মো. ওয়াসিম ওরফে অসিম (৩০) — সেলিমাবাদ খানপাড়া
২. মো. রফিকুল আলম (৩৪) — বিশ্বনাথপুর
৩. মো. উমর ফারুক (২৯) — বাগদূর্গাপুর কলকলিয়া
অভিযানে পুলিশ ছিনতাইকৃত অটোরিকশা, ৪টি মোবাইল ফোন, নিহতের ব্যবহৃত স্যান্ডেল এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি কাঠের বাটযুক্ত ধারালো হাসুয়া (কান্তাই) জব্দ করেছে।
পুলিশ সুপার জানান, মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার নেপথ্যে আর কোনো বিষয় আছে কি না তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন