নজর বিডি
প্রকাশ : শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

মেসার্স পপুলার এন্টারপ্রাইজ ব্যবসায়ীদের নতুন বছরের হিসাব মেলাতে ‘হালখাতা'

মেসার্স পপুলার এন্টারপ্রাইজ ব্যবসায়ীদের নতুন বছরের হিসাব মেলাতে ‘হালখাতা'
পহেলা বৈশাখ বাঙালির জীবনে ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। দিনটিকে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়। বাংলা বছরের প্রথম দিনে পুরানো হিসাব মিলিয়ে নতুন উদ্যমে নববর্ষকে উদযাপন করতে আয়োজন করা হয় ‘শুভ হালখাতা’। আর এই হালখাতা উপলক্ষে যেন মেসার্স পপুলার এন্টারপ্রাইজের ও প্রত্যন্ত এলাকায় ব্যবসায়ীদের উৎসবের আমেজ চলছে। দোকানকে বিভিন্নভাবে সুসজ্জিতকরণ ও সাউন্ড বক্সে গানবাজনা বাজিয়ে পাওনাদারদের আকৃষ্ট করছেন। আবার অনেক দোকানদার ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশনও করছেন সাউন্ডবক্সে। এর আগে পাওনাদারের কাছে চিঠির মাধ্যমে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে পুরানো হিসেব জানিয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পাওনা পরিশোধ করলে তার জন্য মিষ্টিমুখ ও আপ্যায়নের ব্যবস্থাও করেছেন ব্যবসায়ীরা। বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ হলো ‘হালখাতা’। আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির এই সময়ে বিভিন্ন অ্যাপ ও অনলাইন শপিংয়ের কারণে হালখাতার সেই আগেকার দিনের জৌলুস কমে এলেও বাঙালি সংস্কৃতিতে নববর্ষের প্রথম দিনে হালখাতার প্রচলন রয়েছে। হালখাতা হলো নববর্ষে নতুন হিসাব লেখার খাতা। নতুন খাতাটি সাধারণত লাল শালুতে মোড়ানো। হালখাতা হলো বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রচলিত একটি ঐতিহ্যবাহী প্রথা। এ দিনটিতে ব্যবসায়ীরা তাদের পুরোনো হিসাব হালনাগাদ করে নতুন হিসাব শুরু করেন। এ উপলক্ষে ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তাদের নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান। পুরাতন বছরের পাওনা-দেনা মিটিয়ে নতুন হিসাব নতুন খাতায় লিপিবদ্ধ করে ব্যাবসা পরিচালনায় শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এরা এমনটা করে থাকেন। আর তাই চৈত্রের শেষে হালখাতা তৈরি ও কেনাবেচার ধুম পড়েছে। আধুনিক কম্পিউটারের যুগেও হালখাতার ব্যবহার সমানে চলছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে সচেতন মহলের অভিমত, পুরাতন যতই জীর্ণ হোক, তাকে নিয়েই নতুনের পথে এগিয়ে চলায় এই হালখাতার এখনও শতাব্দীর সাক্ষী হয়ে আছে এই সমাজে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


মেসার্স পপুলার এন্টারপ্রাইজ ব্যবসায়ীদের নতুন বছরের হিসাব মেলাতে ‘হালখাতা'

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৫

featured Image
পহেলা বৈশাখ বাঙালির জীবনে ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। দিনটিকে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়। বাংলা বছরের প্রথম দিনে পুরানো হিসাব মিলিয়ে নতুন উদ্যমে নববর্ষকে উদযাপন করতে আয়োজন করা হয় ‘শুভ হালখাতা’। আর এই হালখাতা উপলক্ষে যেন মেসার্স পপুলার এন্টারপ্রাইজের ও প্রত্যন্ত এলাকায় ব্যবসায়ীদের উৎসবের আমেজ চলছে। দোকানকে বিভিন্নভাবে সুসজ্জিতকরণ ও সাউন্ড বক্সে গানবাজনা বাজিয়ে পাওনাদারদের আকৃষ্ট করছেন। আবার অনেক দোকানদার ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশনও করছেন সাউন্ডবক্সে। এর আগে পাওনাদারের কাছে চিঠির মাধ্যমে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে পুরানো হিসেব জানিয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পাওনা পরিশোধ করলে তার জন্য মিষ্টিমুখ ও আপ্যায়নের ব্যবস্থাও করেছেন ব্যবসায়ীরা। বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ হলো ‘হালখাতা’। আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির এই সময়ে বিভিন্ন অ্যাপ ও অনলাইন শপিংয়ের কারণে হালখাতার সেই আগেকার দিনের জৌলুস কমে এলেও বাঙালি সংস্কৃতিতে নববর্ষের প্রথম দিনে হালখাতার প্রচলন রয়েছে। হালখাতা হলো নববর্ষে নতুন হিসাব লেখার খাতা। নতুন খাতাটি সাধারণত লাল শালুতে মোড়ানো। হালখাতা হলো বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রচলিত একটি ঐতিহ্যবাহী প্রথা। এ দিনটিতে ব্যবসায়ীরা তাদের পুরোনো হিসাব হালনাগাদ করে নতুন হিসাব শুরু করেন। এ উপলক্ষে ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তাদের নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান। পুরাতন বছরের পাওনা-দেনা মিটিয়ে নতুন হিসাব নতুন খাতায় লিপিবদ্ধ করে ব্যাবসা পরিচালনায় শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এরা এমনটা করে থাকেন। আর তাই চৈত্রের শেষে হালখাতা তৈরি ও কেনাবেচার ধুম পড়েছে। আধুনিক কম্পিউটারের যুগেও হালখাতার ব্যবহার সমানে চলছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে সচেতন মহলের অভিমত, পুরাতন যতই জীর্ণ হোক, তাকে নিয়েই নতুনের পথে এগিয়ে চলায় এই হালখাতার এখনও শতাব্দীর সাক্ষী হয়ে আছে এই সমাজে।

নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত