চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩২ উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ভেলা বাইচ প্রতিযোগিতা।
চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩২ উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ভেলা বাইচ প্রতিযোগিতা।
সোমবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রংপুকুরে’ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান।
বাঙালি সংস্কৃতির চিরায়ত রূপ তুলে ধরতে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি আবাসিক হল থেকে পৃথক ১১টি ভেলা অংশ নেয়। সাধারণ উপকরণ দিয়ে তৈরি এসব ভেলায় চড়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠেন। পুকুরের চারপাশ জুড়ে শত শত শিক্ষার্থীর করতালি আর উচ্ছ্বাসে ক্যাম্পাসজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
প্রতিযোগিতায় ক্ষিপ্রতা ও নৈপুণ্য প্রদর্শন করে প্রথম স্থান অধিকার করেছে শহীদ সালাম-বরকত হল। রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে নবাব সলিমুল্লাহ হল এবং তৃতীয় স্থান লাভ করেছে আ ম ম কামাল উদ্দিন হল।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে ব্যতিক্রমী ও ঐতিহ্যবাহী পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীদের হাতে জীবন্ত রাজহাঁস, মোরগ এবং এক জোড়া কবুতর তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং জাকসুর ছাত্রনেতারা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা এবং তাদের মাধ্যমেই আমাদের দেশীয় ঐতিহ্যগুলো বেঁচে থাকে। চৈত্র সংক্রান্তির এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও লোকজ সংস্কৃতির প্রতি অনুরাগ বাড়াতে সহায়ক হবে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩২ উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ভেলা বাইচ প্রতিযোগিতা।
চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩২ উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ভেলা বাইচ প্রতিযোগিতা।
সোমবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রংপুকুরে’ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান।
বাঙালি সংস্কৃতির চিরায়ত রূপ তুলে ধরতে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি আবাসিক হল থেকে পৃথক ১১টি ভেলা অংশ নেয়। সাধারণ উপকরণ দিয়ে তৈরি এসব ভেলায় চড়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠেন। পুকুরের চারপাশ জুড়ে শত শত শিক্ষার্থীর করতালি আর উচ্ছ্বাসে ক্যাম্পাসজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
প্রতিযোগিতায় ক্ষিপ্রতা ও নৈপুণ্য প্রদর্শন করে প্রথম স্থান অধিকার করেছে শহীদ সালাম-বরকত হল। রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে নবাব সলিমুল্লাহ হল এবং তৃতীয় স্থান লাভ করেছে আ ম ম কামাল উদ্দিন হল।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে ব্যতিক্রমী ও ঐতিহ্যবাহী পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীদের হাতে জীবন্ত রাজহাঁস, মোরগ এবং এক জোড়া কবুতর তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং জাকসুর ছাত্রনেতারা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা এবং তাদের মাধ্যমেই আমাদের দেশীয় ঐতিহ্যগুলো বেঁচে থাকে। চৈত্র সংক্রান্তির এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও লোকজ সংস্কৃতির প্রতি অনুরাগ বাড়াতে সহায়ক হবে।"

আপনার মতামত লিখুন