অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “জুলাই শহীদরা স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও স্বৈরাচারমুক্ত রাষ্ট্র ব্যবস্থার। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এই সুযোগকে কাজে লাগাতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “২০২৪ সালের ১৬ জুলাই ছাত্র-শ্রমিক-জনতার সম্মিলিত গণ-অভ্যুত্থান ছিল এক অবিস্মরণীয় দিন। কোটাব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনে চট্টগ্রাম, রংপুর ও ঢাকায় অন্তত ছয়জন শহীদ হন। তাঁদের আত্মদান আন্দোলনে নতুন গতি সৃষ্টি করে, যা পরবর্তীতে রূপ নেয় স্বৈরাচারবিরোধী দুর্বার গণআন্দোলনে।”
বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, “এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় স্বৈরাচার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে জাতি পায় মুক্তির নতুন সূর্যোদয়।”
তিনি আরও বলেন, “জুলাই শহীদরা এক মহাকাব্যিক বীরত্বগাথা রচনা করে গেছেন। এই চেতনাকে ধারণ করে আমাদের নতুন বাংলাদেশের পথে দৃপ্ত পদে এগিয়ে যেতে হবে। আজকের দিনে সেই অঙ্গীকার হোক আমাদের সবার।”
আগামীকাল রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালনের মাধ্যমে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৫
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “জুলাই শহীদরা স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও স্বৈরাচারমুক্ত রাষ্ট্র ব্যবস্থার। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এই সুযোগকে কাজে লাগাতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “২০২৪ সালের ১৬ জুলাই ছাত্র-শ্রমিক-জনতার সম্মিলিত গণ-অভ্যুত্থান ছিল এক অবিস্মরণীয় দিন। কোটাব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনে চট্টগ্রাম, রংপুর ও ঢাকায় অন্তত ছয়জন শহীদ হন। তাঁদের আত্মদান আন্দোলনে নতুন গতি সৃষ্টি করে, যা পরবর্তীতে রূপ নেয় স্বৈরাচারবিরোধী দুর্বার গণআন্দোলনে।”
বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, “এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় স্বৈরাচার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে জাতি পায় মুক্তির নতুন সূর্যোদয়।”
তিনি আরও বলেন, “জুলাই শহীদরা এক মহাকাব্যিক বীরত্বগাথা রচনা করে গেছেন। এই চেতনাকে ধারণ করে আমাদের নতুন বাংলাদেশের পথে দৃপ্ত পদে এগিয়ে যেতে হবে। আজকের দিনে সেই অঙ্গীকার হোক আমাদের সবার।”
আগামীকাল রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালনের মাধ্যমে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

আপনার মতামত লিখুন