বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি কৌশলগত সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক (MoU) সই করেছে বাংলাদেশ।
এই চুক্তির ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে এলএনজি (LNG) ও এলপিজি (LPG)-সহ বিভিন্ন জ্বালানি পণ্য আমদানির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।
ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগে (DOE) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এই চুক্তিতে সই করেন।
এই কৌশলগত অংশীদারিত্বের ফলে বাংলাদেশ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা পাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে এলএনজি ও এলপিজি আমদানির সুযোগ। একক কোনো উৎসের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জ্বালানির উৎসগুলোতে বৈচিত্র্য আনা।
তেল, গ্যাস, ভূ-তাপীয় (Geothermal) এবং জৈব জ্বালানি খাতে দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি বিনিময় ও যৌথ গবেষণার সুযোগ। বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের জনবল ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এই সমঝোতাকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তিনি এই উদ্যোগ সফল করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে, মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এই চুক্তিকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি কৌশলগত সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক (MoU) সই করেছে বাংলাদেশ।
এই চুক্তির ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে এলএনজি (LNG) ও এলপিজি (LPG)-সহ বিভিন্ন জ্বালানি পণ্য আমদানির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।
ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগে (DOE) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এই চুক্তিতে সই করেন।
এই কৌশলগত অংশীদারিত্বের ফলে বাংলাদেশ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা পাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে এলএনজি ও এলপিজি আমদানির সুযোগ। একক কোনো উৎসের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জ্বালানির উৎসগুলোতে বৈচিত্র্য আনা।
তেল, গ্যাস, ভূ-তাপীয় (Geothermal) এবং জৈব জ্বালানি খাতে দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি বিনিময় ও যৌথ গবেষণার সুযোগ। বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের জনবল ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এই সমঝোতাকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তিনি এই উদ্যোগ সফল করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে, মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এই চুক্তিকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন