ঢাকা, শুক্রবার (১৯ জুলাই ২০২৫):
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নির্ধারণের লক্ষ্যেই এই পরিদর্শন— জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
আজ সকালে রাজধানীর কুর্মিটোলায় বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, “তৃতীয় টার্মিনালের অপারেশনাল সক্ষমতা অত্যন্ত আধুনিক ও সময়োপযোগী। এটি চালু হলে বিদেশ যাতায়াতে যেসব সমস্যা হতো, তা অনেকাংশে দূর হবে।”

তিনি আরও বলেন, “পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল জনবল নিরূপণ করা। পাশাপাশি যাত্রীরা ইমিগ্রেশনে কোনো সমস্যার মুখে পড়ছেন কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা। যাত্রীসেবা উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন, সে বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছি।”
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, তৃতীয় টার্মিনালের কাজের অগ্রগতি ৯৯.১৮ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। উদ্বোধনের তারিখ এখনো নির্ধারিত না হলেও এটি খুব শিগগিরই উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে গোপালগঞ্জে সাম্প্রতিক ঘটনায় গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করেন উপদেষ্টা। বলেন, “অনেক সাংবাদিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঘটনার সরাসরি সম্প্রচার করেছেন। এতে জনগণ ঘটনার প্রকৃত চিত্র জানতে পেরেছে। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই।”
তিনি জানান, গোপালগঞ্জের ঘটনায় একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা দায়-দায়িত্ব নিরূপণ করবে এবং সমস্ত বিষয় জনসমক্ষে তুলে ধরবে।
নিহতদের কিছু লাশের ময়নাতদন্ত না হওয়ার কারণ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, “কয়েকজনের স্বজনরা চিকিৎসকদের ইচ্ছা সত্ত্বেও লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিয়ে গেছেন। প্রয়োজনে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করা হবে।”
তৃতীয় টার্মিনাল ছাড়াও তিনি বিমানবন্দরের টার্মিনাল ১ ও ২ পরিদর্শন করেন। যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ এবং ইমিগ্রেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৫
ঢাকা, শুক্রবার (১৯ জুলাই ২০২৫):
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নির্ধারণের লক্ষ্যেই এই পরিদর্শন— জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
আজ সকালে রাজধানীর কুর্মিটোলায় বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, “তৃতীয় টার্মিনালের অপারেশনাল সক্ষমতা অত্যন্ত আধুনিক ও সময়োপযোগী। এটি চালু হলে বিদেশ যাতায়াতে যেসব সমস্যা হতো, তা অনেকাংশে দূর হবে।”

তিনি আরও বলেন, “পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল জনবল নিরূপণ করা। পাশাপাশি যাত্রীরা ইমিগ্রেশনে কোনো সমস্যার মুখে পড়ছেন কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা। যাত্রীসেবা উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন, সে বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছি।”
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, তৃতীয় টার্মিনালের কাজের অগ্রগতি ৯৯.১৮ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। উদ্বোধনের তারিখ এখনো নির্ধারিত না হলেও এটি খুব শিগগিরই উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে গোপালগঞ্জে সাম্প্রতিক ঘটনায় গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করেন উপদেষ্টা। বলেন, “অনেক সাংবাদিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঘটনার সরাসরি সম্প্রচার করেছেন। এতে জনগণ ঘটনার প্রকৃত চিত্র জানতে পেরেছে। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই।”
তিনি জানান, গোপালগঞ্জের ঘটনায় একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা দায়-দায়িত্ব নিরূপণ করবে এবং সমস্ত বিষয় জনসমক্ষে তুলে ধরবে।
নিহতদের কিছু লাশের ময়নাতদন্ত না হওয়ার কারণ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, “কয়েকজনের স্বজনরা চিকিৎসকদের ইচ্ছা সত্ত্বেও লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিয়ে গেছেন। প্রয়োজনে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করা হবে।”
তৃতীয় টার্মিনাল ছাড়াও তিনি বিমানবন্দরের টার্মিনাল ১ ও ২ পরিদর্শন করেন। যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ এবং ইমিগ্রেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন