বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং এর অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
ড. আবরার জানান, শ্বেতপত্রে উত্থাপিত সমস্যাগুলো বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তা যথেষ্ট গ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, “এখানে উত্থাপিত বিষয় ছাড়াও আমাদের প্রতিনিয়ত নানাবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে। প্রায়ই নতুন নতুন ইস্যু তৈরি হচ্ছে, যেগুলোর সমাধানে উপদেষ্টা ও সচিব পর্যায়ে সমন্বয় দরকার।”
তিনি আরও বলেন, “ইতিমধ্যে আমরা ইন্ডাস্ট্রির মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা চায়, শিক্ষাক্রম এমনভাবে সাজানো হোক যাতে সেসব কোর্স সরাসরি শিল্পক্ষেত্রে উপযোগী হয়। এতে করে তাদের প্রশিক্ষণের সময় ও ব্যয় উভয়ই সাশ্রয় হবে। আমরা বিষয়গুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি।”
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “দেশের সীমিত সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আধুনিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও কারিগরি দক্ষতা সম্পন্ন মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। আজকের সভায় আপনাদের আলোচনায় আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পেয়েছি, যা ভবিষ্যতের শিক্ষা নীতিনির্ধারণে দিকনির্দেশক হবে।”
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম, শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যসহ কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি মানসম্মত শিক্ষা, শ্রমবাজারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ দক্ষ মানবসম্পদ গঠন, সরকারি-বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন এবং প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য কর্মমুখী শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করে একগুচ্ছ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৫
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং এর অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
ড. আবরার জানান, শ্বেতপত্রে উত্থাপিত সমস্যাগুলো বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তা যথেষ্ট গ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, “এখানে উত্থাপিত বিষয় ছাড়াও আমাদের প্রতিনিয়ত নানাবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে। প্রায়ই নতুন নতুন ইস্যু তৈরি হচ্ছে, যেগুলোর সমাধানে উপদেষ্টা ও সচিব পর্যায়ে সমন্বয় দরকার।”
তিনি আরও বলেন, “ইতিমধ্যে আমরা ইন্ডাস্ট্রির মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা চায়, শিক্ষাক্রম এমনভাবে সাজানো হোক যাতে সেসব কোর্স সরাসরি শিল্পক্ষেত্রে উপযোগী হয়। এতে করে তাদের প্রশিক্ষণের সময় ও ব্যয় উভয়ই সাশ্রয় হবে। আমরা বিষয়গুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি।”
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “দেশের সীমিত সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আধুনিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও কারিগরি দক্ষতা সম্পন্ন মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। আজকের সভায় আপনাদের আলোচনায় আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পেয়েছি, যা ভবিষ্যতের শিক্ষা নীতিনির্ধারণে দিকনির্দেশক হবে।”
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম, শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যসহ কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি মানসম্মত শিক্ষা, শ্রমবাজারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ দক্ষ মানবসম্পদ গঠন, সরকারি-বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন এবং প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য কর্মমুখী শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করে একগুচ্ছ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করে।

আপনার মতামত লিখুন