ওয়াশিংটন ডিসি ও ঢাকা, ৩০ জুলাই ২০২৫:
সচিব বলেন, “২৯ জুলাই নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ (USTR) কর্মকর্তারা বাংলাদেশের ওপর শুল্ক কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। আমাদের পণ্যের ওপর শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমতে পারে, তবে এখনই সুনির্দিষ্ট কিছু বলা যাচ্ছে না।”
তিনি আরও জানান, আলোচনা এখনো চলমান। আজ এবং আগামীকাল আরও দুটি বৈঠক হবে। আশা করা হচ্ছে, তিন দিনের আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে নিয়ে চূড়ান্ত শুল্কনীতির ঘোষণা দেবে।
এই আলোচনা মূলত শুল্কছাড়ের সম্ভাব্য পথ খুঁজে বের করতেই হচ্ছে। আগামী ১ আগস্ট থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত পারস্পরিক শুল্কহার কার্যকর হতে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ক্ষেত্রে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। দলে আছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান এবং অতিরিক্ত সচিব নাজনীন কাওসার চৌধুরী।
যুক্তরাষ্ট্র পক্ষের নেতৃত্বে আছেন সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেনডন লিঞ্চ। তার সঙ্গে আছেন শুল্ক ও বাণিজ্যবিষয়ক অন্যান্য কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে ২৫টি বোয়িং বিমান কেনার এবং সাড়ে তিন মিলিয়ন টন গম আমদানির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। এসব পদক্ষেপ দুদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তৃতীয় দিনের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র সফররত ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন, তবে তারা মূল আলোচনায় না থাকলেও সরকারি প্রতিনিধিদলের অন্তর্ভুক্ত হিসেবেই ওয়াশিংটনে উপস্থিত থাকবেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৫
ওয়াশিংটন ডিসি ও ঢাকা, ৩০ জুলাই ২০২৫:
সচিব বলেন, “২৯ জুলাই নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ (USTR) কর্মকর্তারা বাংলাদেশের ওপর শুল্ক কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। আমাদের পণ্যের ওপর শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমতে পারে, তবে এখনই সুনির্দিষ্ট কিছু বলা যাচ্ছে না।”
তিনি আরও জানান, আলোচনা এখনো চলমান। আজ এবং আগামীকাল আরও দুটি বৈঠক হবে। আশা করা হচ্ছে, তিন দিনের আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে নিয়ে চূড়ান্ত শুল্কনীতির ঘোষণা দেবে।
এই আলোচনা মূলত শুল্কছাড়ের সম্ভাব্য পথ খুঁজে বের করতেই হচ্ছে। আগামী ১ আগস্ট থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত পারস্পরিক শুল্কহার কার্যকর হতে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ক্ষেত্রে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। দলে আছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান এবং অতিরিক্ত সচিব নাজনীন কাওসার চৌধুরী।
যুক্তরাষ্ট্র পক্ষের নেতৃত্বে আছেন সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেনডন লিঞ্চ। তার সঙ্গে আছেন শুল্ক ও বাণিজ্যবিষয়ক অন্যান্য কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে ২৫টি বোয়িং বিমান কেনার এবং সাড়ে তিন মিলিয়ন টন গম আমদানির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। এসব পদক্ষেপ দুদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তৃতীয় দিনের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র সফররত ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন, তবে তারা মূল আলোচনায় না থাকলেও সরকারি প্রতিনিধিদলের অন্তর্ভুক্ত হিসেবেই ওয়াশিংটনে উপস্থিত থাকবেন।

আপনার মতামত লিখুন