ঢাকা, ১ আগস্ট ২০২৫:
রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকায় আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ক্যাডারদের ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ বৈঠকের রহস্য উদঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
একই সঙ্গে আগস্ট মাস ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা গুজব ও হুমকির বিষয়ে পুলিশ বলছে, বর্তমানে রাজধানীতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং এ নিয়ে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।
শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকেলে মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
তিনি বলেন, “গত ৮ জুলাই ভাটারা থানা এলাকায় একটি কনভেনশন হলে গোপন বৈঠকের আয়োজন করা হয়। কনভেনশন হলটি ভাড়া নিয়েছিলেন শামীমা নাসরিন শম্পা নামে একজন নারী, যিনি বিদেশে লোক পাঠানোর কথা বলে একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করেছিলেন। এ বৈঠকে ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রমের অভিযোগে ১৩ জুলাই একটি মামলা করা হয়।”
এই ঘটনায় ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা তদন্তে নেমেছি এ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য। কারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের খুঁজে বের করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমরা বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি।”
উল্লেখ্য, গোপন ওই বৈঠকে অংশ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে সেনাবাহিনীর মেজর সাদিকুল হক নামের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও, যাকে পরে হেফাজতে নেয় সেনাবাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে, দেশজুড়ে সহিংস কর্মকাণ্ডের ছক কষতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।
সামাজিক মাধ্যমে ৮ আগস্টকে কেন্দ্র করে নানা হুমকির প্রসঙ্গে ডিএমপি ডিসি বলেন, “গত এক বছরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাচ্ছে। আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আগস্টকে ঘিরে কোনো রকম নিরাপত্তা হুমকি আপাতত নেই।”
তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৪৮৯টি টহল দল এবং ৬৬টি চেকপোস্ট পরিচালিত হয়েছে।
ডিএমপির তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ২৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২০টি মোবাইল, ছয়টি মোটরসাইকেল, একটি প্রাইভেটকার এবং বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য।
তালেবুর রহমান বলেন, “কোনো ধরনের গণগ্রেপ্তার বা হয়রানিমূলক গ্রেপ্তার নয়—আমরা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নিচ্ছি। ঢালাওভাবে কাউকে ধরা হচ্ছে না।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৫
ঢাকা, ১ আগস্ট ২০২৫:
রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকায় আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ক্যাডারদের ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ বৈঠকের রহস্য উদঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
একই সঙ্গে আগস্ট মাস ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা গুজব ও হুমকির বিষয়ে পুলিশ বলছে, বর্তমানে রাজধানীতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং এ নিয়ে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।
শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকেলে মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
তিনি বলেন, “গত ৮ জুলাই ভাটারা থানা এলাকায় একটি কনভেনশন হলে গোপন বৈঠকের আয়োজন করা হয়। কনভেনশন হলটি ভাড়া নিয়েছিলেন শামীমা নাসরিন শম্পা নামে একজন নারী, যিনি বিদেশে লোক পাঠানোর কথা বলে একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করেছিলেন। এ বৈঠকে ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রমের অভিযোগে ১৩ জুলাই একটি মামলা করা হয়।”
এই ঘটনায় ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা তদন্তে নেমেছি এ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য। কারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের খুঁজে বের করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমরা বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি।”
উল্লেখ্য, গোপন ওই বৈঠকে অংশ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে সেনাবাহিনীর মেজর সাদিকুল হক নামের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও, যাকে পরে হেফাজতে নেয় সেনাবাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে, দেশজুড়ে সহিংস কর্মকাণ্ডের ছক কষতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।
সামাজিক মাধ্যমে ৮ আগস্টকে কেন্দ্র করে নানা হুমকির প্রসঙ্গে ডিএমপি ডিসি বলেন, “গত এক বছরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাচ্ছে। আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আগস্টকে ঘিরে কোনো রকম নিরাপত্তা হুমকি আপাতত নেই।”
তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৪৮৯টি টহল দল এবং ৬৬টি চেকপোস্ট পরিচালিত হয়েছে।
ডিএমপির তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ২৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২০টি মোবাইল, ছয়টি মোটরসাইকেল, একটি প্রাইভেটকার এবং বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য।
তালেবুর রহমান বলেন, “কোনো ধরনের গণগ্রেপ্তার বা হয়রানিমূলক গ্রেপ্তার নয়—আমরা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নিচ্ছি। ঢালাওভাবে কাউকে ধরা হচ্ছে না।”

আপনার মতামত লিখুন