অনুষ্ঠানে জেলার মোট ৬৪৪ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে হাতে তুলে দেওয়া হয় সম্মাননা ক্রেস্ট। মিলনমেলার প্রতিটি ধাপে ছিল উৎসাহ ও উদ্দীপনায় ভরপুর এক আবহ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু শিক্ষার্থীদের সম্মাননা নয়, বরং ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রেরণার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মহোদয় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “স্কুল ও কলেজ সময়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কারণ ছাড়া অনুপস্থিতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। শিক্ষা জীবন শৃঙ্খলাপূর্ণ ও নিয়মমাফিক হওয়া উচিত, তবেই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে পরিবার, প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার্থী—সকলকে আরও সচেতন হতে হবে।”
মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই সম্মাননায় উপস্থিত অভিভাবকদের চোখেমুখে ছিল সন্তুষ্টির ছাপ। তারা জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ কামরুজ্জামানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এই ধরণের আয়োজন প্রতি বছর নিয়মিতভাবে করার দাবি জানান। অনেকেই বলেন, এই অনুষ্ঠান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও উৎসাহিত করবে এবং পড়াশোনায় মনোযোগী করে তুলবে।
এবারের এসএসসি পরিক্ষায় জিপিএ ৫ পাওয়া, সরকারি মুকসুদপুর সাবের মিয়া জসিমউদদীন (এস,জে) মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এর এশরাত জাহান প্রতিভা নজরবিডিকে বলেন, আমাকে এভাবে সম্মান দেয়ায় আমি মাননীয় জেলা প্রশাসকের নিকট কৃতজ্ঞতা জ্ঞ্যাপন করছি,আমার এই সাফল্যের পিছনে আমার বাবা-মা এবং আমার শিক্ষকদের অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে তাদের প্রতি আমার অকৃত্তিম ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা। পাশাপাশি এশরাত দেশবাসীর নিকট দোয়া চেয়েছেন যেনো ভবিষ্যৎ এ এই সাফল্য ধরে রাখতে পারেন।
[caption id="attachment_13432" align="aligncenter" width="164"]
কৃতী শিক্ষার্থী: এশরাত জাহান প্রতিভা[/caption]
গোপালগঞ্জের শিক্ষা অঙ্গনে এই আয়োজন একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও উৎসাহের এমন সম্মিলন ভবিষ্যতেও জেলার মেধাবীদের এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে সকলেই মনে করছেন।
এমন ব্যতিক্রমী ও সময়োপযোগী উদ্যোগ দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতেও গ্রহণ করা হোক—এটাই এখন সচেতন মহলের প্রত্যাশা। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৫
অনুষ্ঠানে জেলার মোট ৬৪৪ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে হাতে তুলে দেওয়া হয় সম্মাননা ক্রেস্ট। মিলনমেলার প্রতিটি ধাপে ছিল উৎসাহ ও উদ্দীপনায় ভরপুর এক আবহ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু শিক্ষার্থীদের সম্মাননা নয়, বরং ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রেরণার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মহোদয় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “স্কুল ও কলেজ সময়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কারণ ছাড়া অনুপস্থিতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। শিক্ষা জীবন শৃঙ্খলাপূর্ণ ও নিয়মমাফিক হওয়া উচিত, তবেই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে পরিবার, প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার্থী—সকলকে আরও সচেতন হতে হবে।”
মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই সম্মাননায় উপস্থিত অভিভাবকদের চোখেমুখে ছিল সন্তুষ্টির ছাপ। তারা জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ কামরুজ্জামানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এই ধরণের আয়োজন প্রতি বছর নিয়মিতভাবে করার দাবি জানান। অনেকেই বলেন, এই অনুষ্ঠান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও উৎসাহিত করবে এবং পড়াশোনায় মনোযোগী করে তুলবে।
এবারের এসএসসি পরিক্ষায় জিপিএ ৫ পাওয়া, সরকারি মুকসুদপুর সাবের মিয়া জসিমউদদীন (এস,জে) মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এর এশরাত জাহান প্রতিভা নজরবিডিকে বলেন, আমাকে এভাবে সম্মান দেয়ায় আমি মাননীয় জেলা প্রশাসকের নিকট কৃতজ্ঞতা জ্ঞ্যাপন করছি,আমার এই সাফল্যের পিছনে আমার বাবা-মা এবং আমার শিক্ষকদের অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে তাদের প্রতি আমার অকৃত্তিম ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা। পাশাপাশি এশরাত দেশবাসীর নিকট দোয়া চেয়েছেন যেনো ভবিষ্যৎ এ এই সাফল্য ধরে রাখতে পারেন।
[caption id="attachment_13432" align="aligncenter" width="164"]
কৃতী শিক্ষার্থী: এশরাত জাহান প্রতিভা[/caption]
গোপালগঞ্জের শিক্ষা অঙ্গনে এই আয়োজন একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও উৎসাহের এমন সম্মিলন ভবিষ্যতেও জেলার মেধাবীদের এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে সকলেই মনে করছেন।
এমন ব্যতিক্রমী ও সময়োপযোগী উদ্যোগ দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতেও গ্রহণ করা হোক—এটাই এখন সচেতন মহলের প্রত্যাশা। 
আপনার মতামত লিখুন