জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাহস ও শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, বৈষম্যহীন এবং জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ গড়তে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা।
রোববার (৩ আগস্ট) ঢাকায় জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সচিব বলেন, “নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে সততা, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তাহলেই দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা জঞ্জাল দূর করা সম্ভব হবে।”
তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আমাদের ছাত্র-জনতা মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ত্যাগ স্বীকার করেছে। শহীদ ও আহতদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে হবে শুধু নয়—তাদের পরিবারের পুনর্বাসন ও আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে উদ্যোগ নিতে হবে।”
বিগত সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলের সমালোচনা করে সচিব বলেন, “তখন দেশে গণতন্ত্রের নামে শাসন চললেও জনগণ বাকস্বাধীনতা হারিয়েছিল। তরুণ সমাজ তাদের ন্যায্য কথা বলতে পারেনি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সেই সময় অপেশাদার আচরণ করেছে এবং নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়েছে।”
মাহবুবা ফারজানা বলেন, “আমাদের সন্তানদের যেন আর বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতে না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, প্রশাসনের জবাবদিহিতা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি ফ্যাসিবাদমুক্ত একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামান। আলোচনায় অংশ নেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফায়জুল হক, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক এ এস এম জাহীদ এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদা বেগম।
আলোচনা সভার আগে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান” নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৫
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাহস ও শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, বৈষম্যহীন এবং জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ গড়তে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা।
রোববার (৩ আগস্ট) ঢাকায় জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সচিব বলেন, “নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে সততা, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তাহলেই দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা জঞ্জাল দূর করা সম্ভব হবে।”
তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আমাদের ছাত্র-জনতা মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ত্যাগ স্বীকার করেছে। শহীদ ও আহতদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে হবে শুধু নয়—তাদের পরিবারের পুনর্বাসন ও আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে উদ্যোগ নিতে হবে।”
বিগত সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলের সমালোচনা করে সচিব বলেন, “তখন দেশে গণতন্ত্রের নামে শাসন চললেও জনগণ বাকস্বাধীনতা হারিয়েছিল। তরুণ সমাজ তাদের ন্যায্য কথা বলতে পারেনি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সেই সময় অপেশাদার আচরণ করেছে এবং নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়েছে।”
মাহবুবা ফারজানা বলেন, “আমাদের সন্তানদের যেন আর বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতে না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, প্রশাসনের জবাবদিহিতা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি ফ্যাসিবাদমুক্ত একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামান। আলোচনায় অংশ নেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফায়জুল হক, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক এ এস এম জাহীদ এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদা বেগম।
আলোচনা সভার আগে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান” নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন