সোমবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘জুলাই আমাদের সবার’ শিরোনামে এক স্ট্যাটাসে তিনি এই অবদানগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন।
মাহফুজ আলম লেখেন,
“দলীয় বা আদর্শিক বিরোধের জেরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কারও অবদান অস্বীকার করা উচিত নয়।”
তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামী ছাত্রশিবির “জনশক্তি ও কো-অর্ডিনেশন” দিয়ে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে শিবিরের কর্মীরা এই আন্দোলনকে শুধু এগিয়ে নিয়েই যাননি, বরং কিছু ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা ও অন্যান্য এলাকায় “ফ্যাসিস্ট বাহিনীকে প্রতিরোধ” করেছে, বিভিন্ন প্রতিরোধ স্পটে লড়াই করেছে এবং তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করেছে।
ছাত্রশক্তি মাঠপর্যায়ে ও সিভিল সোসাইটি, কালচারাল সার্কেলে থেকে আন্দোলনকে সমন্বয় করেছে এবং আস্থা তৈরি করেছে।
ছাত্র অধিকার পরিষদের কর্মীরা দেশে-জুড়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন এবং তাদের পূর্ববর্তী কোটা আন্দোলনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।
বামধারার ছাত্র সংগঠন যেমন ছাত্র ইউনিয়নের একাংশ, ছাত্র ফেডারেশন ও অন্যান্য বাম ছাত্র সংগঠন মাঠে ও মতাদর্শিক বয়ানে অবস্থান ধরে রেখেছে। বাম সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোও জুলাইয়ের শেষ দিকে রাজপথে নেমে জনসাধারণের মধ্যে সাহস জুগিয়েছে।
আলেম ও মাদ্রাসার ছাত্রদের সরব অংশগ্রহণের কথাও উল্লেখ করেন মাহফুজ আলম। তিনি বলেন,
“রাজপথে তারা দীর্ঘসময় ধরে প্রতিরোধ চালিয়ে গেছেন, যাত্রাবাড়ী তার এক উজ্জ্বল উদাহরণ।”
প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক, প্রাইভেট শিক্ষার্থী, এবং নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের ভূমিকাকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আখ্যা দেন।
নারীরা রাজপথে নেমে আহতদের সহযোগিতা করেছেন। মায়েরা ও বোনেরা কারফিউর সময়েও সাহসের সাথে রাস্তায় থেকে আন্দোলনকে প্রাণবন্ত রেখেছেন।
স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে প্রতিরোধ স্পটগুলোতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতি ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো নীরবে হলেও কার্যকরভাবে অভ্যুত্থানকে সহায়তা করেছে।
ছাত্রলীগের একটি অংশ বিদ্রোহ করে অভ্যুত্থানে যোগ দেয় বলে উল্লেখ করেন মাহফুজ। পাশাপাশি, উঠতি মধ্যবিত্ত শ্রেণি জুলাইয়ের শেষদিকে রাস্তায় নেমে আন্দোলনকে আরও ব্যাপকতা দিয়েছে।
প্রবাসী শ্রমিক, চাকরিজীবী ও পেশাজীবীরা আন্তর্জাতিক পরিসরে এই অভ্যুত্থানকে তুলে ধরেছেন। কবি, সাহিত্যিক, পাবলিক ইন্টেলেকচুয়াল, সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার এবং র্যাপাররা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছেন ও অনুপ্রাণিত করেছেন।
স্ট্যাটাসের শেষে মাহফুজ আলম প্রশ্ন ছুড়ে দেন—
“জনগণের লড়াইয়ের কার কোন অবদান অস্বীকার করবেন?”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৫
সোমবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘জুলাই আমাদের সবার’ শিরোনামে এক স্ট্যাটাসে তিনি এই অবদানগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন।
মাহফুজ আলম লেখেন,
“দলীয় বা আদর্শিক বিরোধের জেরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কারও অবদান অস্বীকার করা উচিত নয়।”
তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামী ছাত্রশিবির “জনশক্তি ও কো-অর্ডিনেশন” দিয়ে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে শিবিরের কর্মীরা এই আন্দোলনকে শুধু এগিয়ে নিয়েই যাননি, বরং কিছু ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা ও অন্যান্য এলাকায় “ফ্যাসিস্ট বাহিনীকে প্রতিরোধ” করেছে, বিভিন্ন প্রতিরোধ স্পটে লড়াই করেছে এবং তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করেছে।
ছাত্রশক্তি মাঠপর্যায়ে ও সিভিল সোসাইটি, কালচারাল সার্কেলে থেকে আন্দোলনকে সমন্বয় করেছে এবং আস্থা তৈরি করেছে।
ছাত্র অধিকার পরিষদের কর্মীরা দেশে-জুড়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন এবং তাদের পূর্ববর্তী কোটা আন্দোলনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।
বামধারার ছাত্র সংগঠন যেমন ছাত্র ইউনিয়নের একাংশ, ছাত্র ফেডারেশন ও অন্যান্য বাম ছাত্র সংগঠন মাঠে ও মতাদর্শিক বয়ানে অবস্থান ধরে রেখেছে। বাম সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোও জুলাইয়ের শেষ দিকে রাজপথে নেমে জনসাধারণের মধ্যে সাহস জুগিয়েছে।
আলেম ও মাদ্রাসার ছাত্রদের সরব অংশগ্রহণের কথাও উল্লেখ করেন মাহফুজ আলম। তিনি বলেন,
“রাজপথে তারা দীর্ঘসময় ধরে প্রতিরোধ চালিয়ে গেছেন, যাত্রাবাড়ী তার এক উজ্জ্বল উদাহরণ।”
প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক, প্রাইভেট শিক্ষার্থী, এবং নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের ভূমিকাকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আখ্যা দেন।
নারীরা রাজপথে নেমে আহতদের সহযোগিতা করেছেন। মায়েরা ও বোনেরা কারফিউর সময়েও সাহসের সাথে রাস্তায় থেকে আন্দোলনকে প্রাণবন্ত রেখেছেন।
স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে প্রতিরোধ স্পটগুলোতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতি ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো নীরবে হলেও কার্যকরভাবে অভ্যুত্থানকে সহায়তা করেছে।
ছাত্রলীগের একটি অংশ বিদ্রোহ করে অভ্যুত্থানে যোগ দেয় বলে উল্লেখ করেন মাহফুজ। পাশাপাশি, উঠতি মধ্যবিত্ত শ্রেণি জুলাইয়ের শেষদিকে রাস্তায় নেমে আন্দোলনকে আরও ব্যাপকতা দিয়েছে।
প্রবাসী শ্রমিক, চাকরিজীবী ও পেশাজীবীরা আন্তর্জাতিক পরিসরে এই অভ্যুত্থানকে তুলে ধরেছেন। কবি, সাহিত্যিক, পাবলিক ইন্টেলেকচুয়াল, সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার এবং র্যাপাররা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছেন ও অনুপ্রাণিত করেছেন।
স্ট্যাটাসের শেষে মাহফুজ আলম প্রশ্ন ছুড়ে দেন—
“জনগণের লড়াইয়ের কার কোন অবদান অস্বীকার করবেন?”

আপনার মতামত লিখুন