ঢাকা, ১৫ আগস্ট:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এসে কয়েকজন ব্যক্তি হেনস্তার শিকার হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে দুই-একজনকে মারধর করা হলেও কাউকে আটক করেনি পুলিশ।
সকাল থেকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের দুই পাশে পুলিশ ব্যারিকেড বসায়। শুধু গণমাধ্যমকর্মীদের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়। আশপাশে ছাত্রদলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন এবং গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য দেন। ভাঙা বাড়ির সামনে কয়েকজন পুলিশ সদস্য পাহারায় ছিলেন।
সকাল সোয়া ৯টার দিকে পিরোজপুর থেকে আসা এক দম্পতি ও তাদের তিন সন্তান ফুল দিতে এলে স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। পরে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। ওই দম্পতির স্বামী ওয়ালিউল্লাহ বলেন, “শেখ হাসিনা দেশের জন্য অনেক কিছু করেছেন, তাই শেখ মুজিবকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি।” তার স্ত্রী জানান, স্বামী মানসিকভাবে অসুস্থ এবং তাকে আটকে রাখা যায়নি।
একই সময়ে সড়কের পূর্ব পাশে পৃথকভাবে শ্রদ্ধা জানাতে আসা দুই ব্যক্তিকে কলার চেপে ধরা ও চড়-থাপ্পরের শিকার হতে হয়। পুলিশ পরে তাদের রিকশায় করে পাঠিয়ে দেয়। সকাল ১০টার দিকে শেরেবাংলা নগর থেকে আসা আওয়ামী লীগ কর্মী পরিচয়দানকারী এক নারী, হালিমা, ফুল দিতে এলে তিনিও হেনস্তার শিকার হন এবং পুলিশ তাকে ফিরিয়ে দেয়।
গুলশান ছাত্রদলের কর্মী তানজীব বলেন, “মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে এবং আওয়ামী লীগের লোকজন যাতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না করে, সেজন্য আমরা পুলিশের সঙ্গে আছি। দুই-একজন আওয়ামী লীগের লোক এসেছিল, আমরা তাদের সরিয়ে দিয়েছি।”
পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানান, সকাল থেকে কাউকে আটক করা হয়নি।
শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী এবার এমন এক সময়ে পালিত হচ্ছে, যখন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে। অতীতে দিনটি শোক দিবস হিসেবে পালন করত দলটি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৫
ঢাকা, ১৫ আগস্ট:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এসে কয়েকজন ব্যক্তি হেনস্তার শিকার হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে দুই-একজনকে মারধর করা হলেও কাউকে আটক করেনি পুলিশ।
সকাল থেকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের দুই পাশে পুলিশ ব্যারিকেড বসায়। শুধু গণমাধ্যমকর্মীদের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়। আশপাশে ছাত্রদলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন এবং গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য দেন। ভাঙা বাড়ির সামনে কয়েকজন পুলিশ সদস্য পাহারায় ছিলেন।
সকাল সোয়া ৯টার দিকে পিরোজপুর থেকে আসা এক দম্পতি ও তাদের তিন সন্তান ফুল দিতে এলে স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। পরে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। ওই দম্পতির স্বামী ওয়ালিউল্লাহ বলেন, “শেখ হাসিনা দেশের জন্য অনেক কিছু করেছেন, তাই শেখ মুজিবকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি।” তার স্ত্রী জানান, স্বামী মানসিকভাবে অসুস্থ এবং তাকে আটকে রাখা যায়নি।
একই সময়ে সড়কের পূর্ব পাশে পৃথকভাবে শ্রদ্ধা জানাতে আসা দুই ব্যক্তিকে কলার চেপে ধরা ও চড়-থাপ্পরের শিকার হতে হয়। পুলিশ পরে তাদের রিকশায় করে পাঠিয়ে দেয়। সকাল ১০টার দিকে শেরেবাংলা নগর থেকে আসা আওয়ামী লীগ কর্মী পরিচয়দানকারী এক নারী, হালিমা, ফুল দিতে এলে তিনিও হেনস্তার শিকার হন এবং পুলিশ তাকে ফিরিয়ে দেয়।
গুলশান ছাত্রদলের কর্মী তানজীব বলেন, “মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে এবং আওয়ামী লীগের লোকজন যাতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না করে, সেজন্য আমরা পুলিশের সঙ্গে আছি। দুই-একজন আওয়ামী লীগের লোক এসেছিল, আমরা তাদের সরিয়ে দিয়েছি।”
পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানান, সকাল থেকে কাউকে আটক করা হয়নি।
শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী এবার এমন এক সময়ে পালিত হচ্ছে, যখন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে। অতীতে দিনটি শোক দিবস হিসেবে পালন করত দলটি।

আপনার মতামত লিখুন