একইসঙ্গে তিন মাসের মধ্যে বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি ২০১৭ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালাও বাতিল করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। এর আগে ১৩ আগস্ট শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।
আদালতে রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে সহযোগিতা করেন সিনিয়র আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
রায়ের পর শরীফ ভূঁইয়া বলেন, ১৯৭২ সালের সংবিধানে অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টের হাতে ছিল। পরে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির হাতে ক্ষমতা দেওয়া হয়। আজকের রায়ের ফলে আবারও ১৯৭২ সালের সংবিধানের অবস্থায় ফিরে গেল দেশ।
তিনি আরও জানান, রায়ের তিনটি অংশ রয়েছে—প্রথমত, ১১৬ অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির হাতে অর্পিত ক্ষমতা বাতিল; দ্বিতীয়ত, ২০১৭ সালের শৃঙ্খলাবিধি বাতিল; এবং তৃতীয়ত, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় তিন মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠার নির্দেশ।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৫ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবী সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ ও ২০১৭ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং পৃথক সচিবালয় গঠনের নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করেন। পরবর্তীতে হাইকোর্ট রুল জারি করেন।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ রায় কার্যকর হলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আরও সুদৃঢ় হবে এবং নির্বাহী বিভাগের সরাসরি হস্তক্ষেপ থেকে আদালত মুক্ত হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
একইসঙ্গে তিন মাসের মধ্যে বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি ২০১৭ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালাও বাতিল করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। এর আগে ১৩ আগস্ট শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।
আদালতে রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে সহযোগিতা করেন সিনিয়র আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
রায়ের পর শরীফ ভূঁইয়া বলেন, ১৯৭২ সালের সংবিধানে অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টের হাতে ছিল। পরে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির হাতে ক্ষমতা দেওয়া হয়। আজকের রায়ের ফলে আবারও ১৯৭২ সালের সংবিধানের অবস্থায় ফিরে গেল দেশ।
তিনি আরও জানান, রায়ের তিনটি অংশ রয়েছে—প্রথমত, ১১৬ অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির হাতে অর্পিত ক্ষমতা বাতিল; দ্বিতীয়ত, ২০১৭ সালের শৃঙ্খলাবিধি বাতিল; এবং তৃতীয়ত, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় তিন মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠার নির্দেশ।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৫ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবী সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ ও ২০১৭ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং পৃথক সচিবালয় গঠনের নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করেন। পরবর্তীতে হাইকোর্ট রুল জারি করেন।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ রায় কার্যকর হলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আরও সুদৃঢ় হবে এবং নির্বাহী বিভাগের সরাসরি হস্তক্ষেপ থেকে আদালত মুক্ত হবে।

আপনার মতামত লিখুন