ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩০০ আসনের মধ্যে ৪৬টি আসনের সীমানায় পরিবর্তন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে ঢাকার ছয়টি আসনের সীমানা পরিবর্তন হয়েছে, যা সর্বাধিক।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, চূড়ান্ত করা সীমানাতেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনসমূহ:
ঢাকা জেলা: ২০টি আসনের মধ্যে ৬টির সীমানা পরিবর্তন। মূলত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আসনগুলোতেই রদবদল হয়েছে।
গাজীপুর: একটি আসন বাড়িয়ে মোট ৬টি করা হয়েছে।
বাগেরহাট: একটি আসন কমিয়ে মোট ৩টি করা হয়েছে।
অন্য জেলাসমূহ: পঞ্চগড়, রংপুর, সিরাজগঞ্জ, সাতক্ষীরা, শরীয়তপুর, নারায়ণগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, পাবনা, মানিকগঞ্জ ও ফরিদপুরসহ ৩৯টি আসনে আংশিক সমন্বয় আনা হয়েছে।
কারণ:
ইসির ভাষ্যমতে, ৬৪ জেলার গড় ভোটার সংখ্যা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৫০০। সেই গড় অনুযায়ী গাজীপুরে একটি আসন বাড়ানো এবং বাগেরহাটে একটি আসন কমানো হয়েছে।
প্রক্রিয়া:
গত ৩০ জুলাই খসড়া প্রকাশ করে ইসি।
দাবি-আপত্তির ভিত্তিতে ২৪–২৭ আগস্ট পর্যন্ত ১৮৯৩টি আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানির পর চূড়ান্ত করা হলো আসন পুনঃনির্ধারণ।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, "গাজীপুরে আসন বাড়ানো এবং বাগেরহাটে আসন কমানো ছাড়া বড় কোনো সমস্যা হয়নি। ৩৯টি আসনে কেবল সামঞ্জস্য আনা হয়েছে।"
আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের জন্য এই সীমানাই কার্যকর থাকবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩০০ আসনের মধ্যে ৪৬টি আসনের সীমানায় পরিবর্তন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে ঢাকার ছয়টি আসনের সীমানা পরিবর্তন হয়েছে, যা সর্বাধিক।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, চূড়ান্ত করা সীমানাতেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনসমূহ:
ঢাকা জেলা: ২০টি আসনের মধ্যে ৬টির সীমানা পরিবর্তন। মূলত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আসনগুলোতেই রদবদল হয়েছে।
গাজীপুর: একটি আসন বাড়িয়ে মোট ৬টি করা হয়েছে।
বাগেরহাট: একটি আসন কমিয়ে মোট ৩টি করা হয়েছে।
অন্য জেলাসমূহ: পঞ্চগড়, রংপুর, সিরাজগঞ্জ, সাতক্ষীরা, শরীয়তপুর, নারায়ণগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, পাবনা, মানিকগঞ্জ ও ফরিদপুরসহ ৩৯টি আসনে আংশিক সমন্বয় আনা হয়েছে।
কারণ:
ইসির ভাষ্যমতে, ৬৪ জেলার গড় ভোটার সংখ্যা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৫০০। সেই গড় অনুযায়ী গাজীপুরে একটি আসন বাড়ানো এবং বাগেরহাটে একটি আসন কমানো হয়েছে।
প্রক্রিয়া:
গত ৩০ জুলাই খসড়া প্রকাশ করে ইসি।
দাবি-আপত্তির ভিত্তিতে ২৪–২৭ আগস্ট পর্যন্ত ১৮৯৩টি আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানির পর চূড়ান্ত করা হলো আসন পুনঃনির্ধারণ।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, "গাজীপুরে আসন বাড়ানো এবং বাগেরহাটে আসন কমানো ছাড়া বড় কোনো সমস্যা হয়নি। ৩৯টি আসনে কেবল সামঞ্জস্য আনা হয়েছে।"
আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের জন্য এই সীমানাই কার্যকর থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন