কাঠমাণ্ডু, ৮ সেপ্টেম্বর (রবিবার):
নেপালে সরকারের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ডজনের বেশি আহত হয়েছেন। খবর বিবিসির।
ফেসবুক, এক্স, ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে হাজার হাজার জেন-জি তরুণ কাঠমাণ্ডুর সংসদ ভবনের আশপাশে জড়ো হন। এক পর্যায়ে তারা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ও গেট টপকে ভবনে ঢোকার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়।
যোগাযোগমন্ত্রী পৃথ্বি সুব্বা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ জলকামান, লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট ব্যবহার করেছে। পুলিশের মুখপাত্র শেখর খনাল জানান, বিক্ষোভকারীরা নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশের পর টিয়ার গ্যাস ও পানি কামানও ছোড়া হয়।
বিক্ষোভকারীরা হাতে পোস্টার নিয়ে রাস্তায় নেমে সরকারের ‘স্বৈরাচারী মনোভাবের’ বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। পোস্টারে লেখা ছিল— “যথেষ্ট হয়েছে” ও “দুর্নীতির অবসান চাই”।
কাঠমান্ডু জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পার্লামেন্টে ঢোকার চেষ্টা করার পর সংসদ ভবনের আশপাশে কারফিউ জারি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে নেপাল সরকার ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম বন্ধের নির্দেশ দেয়। কারণ তারা যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিবন্ধনের সময়সীমা পূরণ করতে পারেনি। তবে দুটি প্ল্যাটফর্ম নিবন্ধন শেষে পুনরায় চালু হয়েছে। অনেকেই নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ভিপিএন ব্যবহার করছেন।
সরকার দাবি করছে, তারা প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করছে না, বরং নেপালি আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করতে চাইছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
কাঠমাণ্ডু, ৮ সেপ্টেম্বর (রবিবার):
নেপালে সরকারের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ডজনের বেশি আহত হয়েছেন। খবর বিবিসির।
ফেসবুক, এক্স, ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে হাজার হাজার জেন-জি তরুণ কাঠমাণ্ডুর সংসদ ভবনের আশপাশে জড়ো হন। এক পর্যায়ে তারা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ও গেট টপকে ভবনে ঢোকার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়।
যোগাযোগমন্ত্রী পৃথ্বি সুব্বা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ জলকামান, লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট ব্যবহার করেছে। পুলিশের মুখপাত্র শেখর খনাল জানান, বিক্ষোভকারীরা নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশের পর টিয়ার গ্যাস ও পানি কামানও ছোড়া হয়।
বিক্ষোভকারীরা হাতে পোস্টার নিয়ে রাস্তায় নেমে সরকারের ‘স্বৈরাচারী মনোভাবের’ বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। পোস্টারে লেখা ছিল— “যথেষ্ট হয়েছে” ও “দুর্নীতির অবসান চাই”।
কাঠমান্ডু জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পার্লামেন্টে ঢোকার চেষ্টা করার পর সংসদ ভবনের আশপাশে কারফিউ জারি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে নেপাল সরকার ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম বন্ধের নির্দেশ দেয়। কারণ তারা যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিবন্ধনের সময়সীমা পূরণ করতে পারেনি। তবে দুটি প্ল্যাটফর্ম নিবন্ধন শেষে পুনরায় চালু হয়েছে। অনেকেই নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ভিপিএন ব্যবহার করছেন।
সরকার দাবি করছে, তারা প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করছে না, বরং নেপালি আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করতে চাইছে।

আপনার মতামত লিখুন