জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নির্বাচনের আগেই ভবিষ্যৎ সরকারের মন্ত্রীদের জন্য উচ্চমূল্যের বিলাসবহুল গাড়ি কেনার প্রস্তাবে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক আগের প্রস্তাব বাতিলের পরও আবারো বেশি দামে এমন প্রস্তাব উত্থাপন করাকে ‘তোষণমূলক’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এমন প্রস্তাব ‘অতিরিক্ত উৎসাহী’ কিছু আমলার ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির উদাহরণ, যা অতীতের কর্তৃত্ববাদী শাসনের চর্চার পুনরাবৃত্তি।
তিনি বলেন, “এ ধরনের সিদ্ধান্ত কেবল অনভিপ্রেতই নয়, বরং তা একটি আত্মঘাতী পদক্ষেপ। এতে সুবিধাবাদী আমলাদের ক্ষমতা বিস্তারের যে প্রবণতা বিগত সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হচ্ছে।”
টিআইবি মনে করে, বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষে নির্বাচিত সরকার গঠনের আগেই এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রশ্নবিদ্ধ এবং এর পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে অনুসন্ধান প্রয়োজন।
বিবৃতিতে টিআইবি এ ধরনের বিলাসবহুল গাড়ি কেনার পরিকল্পনা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নির্বাচনের আগেই ভবিষ্যৎ সরকারের মন্ত্রীদের জন্য উচ্চমূল্যের বিলাসবহুল গাড়ি কেনার প্রস্তাবে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক আগের প্রস্তাব বাতিলের পরও আবারো বেশি দামে এমন প্রস্তাব উত্থাপন করাকে ‘তোষণমূলক’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এমন প্রস্তাব ‘অতিরিক্ত উৎসাহী’ কিছু আমলার ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির উদাহরণ, যা অতীতের কর্তৃত্ববাদী শাসনের চর্চার পুনরাবৃত্তি।
তিনি বলেন, “এ ধরনের সিদ্ধান্ত কেবল অনভিপ্রেতই নয়, বরং তা একটি আত্মঘাতী পদক্ষেপ। এতে সুবিধাবাদী আমলাদের ক্ষমতা বিস্তারের যে প্রবণতা বিগত সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হচ্ছে।”
টিআইবি মনে করে, বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষে নির্বাচিত সরকার গঠনের আগেই এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রশ্নবিদ্ধ এবং এর পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে অনুসন্ধান প্রয়োজন।
বিবৃতিতে টিআইবি এ ধরনের বিলাসবহুল গাড়ি কেনার পরিকল্পনা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন