কিশোরগঞ্জ, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫:
বিএনপির মহাসচিব মিরজা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দলটির বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি দাবি করেছেন, বিএনপি কোনও মুহুর্তে “উড়ে এসে জুড়ে বসেনি”—এই দল লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই গড়ে উঠেছে। এসব কথা তিনি শনিবার কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে বলেন।
মির্জু ফখরুল বলেন, “অনেক ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে বিএনপির বিরুদ্ধে। এদেশে যা কিছু ভালো সবকিছু দিয়েছে বিএনপি।” তিনি আরো বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন এবং আজ যে গণতন্ত্রের কথা বলা হচ্ছে, সেটি আসলেই জিয়াউর রহমানই এনেছিলেন।
তিনি সম্মেলনে বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও যারা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট তাড়িয়েছে সেই ছাত্রজনতাকে অভিনন্দন জানান। ফখরুল বলেন, গণঅভ্যুত্থানে অনেক রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে এমন মুক্ত পরিবেশে কর্মসূচি পালনের সুযোগ তৈরি হয়েছে, ফলে বিএনপি শান্তিপূর্ণভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে থাকছে।
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেছেন যে, কাউকে ফেলে দিয়ে দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে—তথ্যভিত্তিহীন কল্পনা দিয়ে দলকে ছোট করে দেখানোর প্রচেষ্টা হচ্ছে। তিনি বলেন, “এই দল হলো ফিনিক্স পাখির মতো; এ দলকে ভাঙার চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু সফল হয়নি। বরং ষড়যন্ত্রকারীরাই পালিয়ে গেছে।”
সম্মেলনে ফখরুল জোর দিয়ে বলেন, স্লোগান কোনও ব্যক্তির নামে হবে না—শুধু জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নামে স্লোগান হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, সম্মেলনে যে নেতার নামে যারা স্লোগান দেবেন, তাদের নামের নম্বর মাইনাস হবে।
ওয়ান-ইলেভেনে নির্যাতন ও নির্বাসনের শিকার নেতাকে নতুন করে গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখানোর কৃতিত্বও দিচ্ছেন ফখরুল। তিনি বলেন, “নতুন করে সুযোগ এসেছে তারেক রহমানকে দেশ পরিচালনার সুযোগ করে দেয়ার — সবাই বিএনপির পক্ষে দাঁড়ান। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগানোর জন্য বিএনপি প্রস্তুত।”
এ মাসের কিশোরগঞ্জ জেলা সম্মেলনে নেতারা সংগঠনের ঐতিহ্য ও ঐক্যবদ্ধ কার্যক্রমের উপর জোর দেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এ ধরনের বক্তব্য সরকারের প্রতি অভিযোগ-সমেত রাজনৈতিক আক্রোশ ও ভিড়মুকাবেলার ধারাবাহিক ইঙ্গিত বহন করে

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
কিশোরগঞ্জ, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫:
বিএনপির মহাসচিব মিরজা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দলটির বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি দাবি করেছেন, বিএনপি কোনও মুহুর্তে “উড়ে এসে জুড়ে বসেনি”—এই দল লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই গড়ে উঠেছে। এসব কথা তিনি শনিবার কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে বলেন।
মির্জু ফখরুল বলেন, “অনেক ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে বিএনপির বিরুদ্ধে। এদেশে যা কিছু ভালো সবকিছু দিয়েছে বিএনপি।” তিনি আরো বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন এবং আজ যে গণতন্ত্রের কথা বলা হচ্ছে, সেটি আসলেই জিয়াউর রহমানই এনেছিলেন।
তিনি সম্মেলনে বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও যারা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট তাড়িয়েছে সেই ছাত্রজনতাকে অভিনন্দন জানান। ফখরুল বলেন, গণঅভ্যুত্থানে অনেক রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে এমন মুক্ত পরিবেশে কর্মসূচি পালনের সুযোগ তৈরি হয়েছে, ফলে বিএনপি শান্তিপূর্ণভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে থাকছে।
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেছেন যে, কাউকে ফেলে দিয়ে দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে—তথ্যভিত্তিহীন কল্পনা দিয়ে দলকে ছোট করে দেখানোর প্রচেষ্টা হচ্ছে। তিনি বলেন, “এই দল হলো ফিনিক্স পাখির মতো; এ দলকে ভাঙার চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু সফল হয়নি। বরং ষড়যন্ত্রকারীরাই পালিয়ে গেছে।”
সম্মেলনে ফখরুল জোর দিয়ে বলেন, স্লোগান কোনও ব্যক্তির নামে হবে না—শুধু জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নামে স্লোগান হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, সম্মেলনে যে নেতার নামে যারা স্লোগান দেবেন, তাদের নামের নম্বর মাইনাস হবে।
ওয়ান-ইলেভেনে নির্যাতন ও নির্বাসনের শিকার নেতাকে নতুন করে গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখানোর কৃতিত্বও দিচ্ছেন ফখরুল। তিনি বলেন, “নতুন করে সুযোগ এসেছে তারেক রহমানকে দেশ পরিচালনার সুযোগ করে দেয়ার — সবাই বিএনপির পক্ষে দাঁড়ান। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগানোর জন্য বিএনপি প্রস্তুত।”
এ মাসের কিশোরগঞ্জ জেলা সম্মেলনে নেতারা সংগঠনের ঐতিহ্য ও ঐক্যবদ্ধ কার্যক্রমের উপর জোর দেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এ ধরনের বক্তব্য সরকারের প্রতি অভিযোগ-সমেত রাজনৈতিক আক্রোশ ও ভিড়মুকাবেলার ধারাবাহিক ইঙ্গিত বহন করে

আপনার মতামত লিখুন