নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার ১১নং নেয়াজপুর ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের নেয়ামতপুর গ্রামের খালপাড়ে ভাঙাচোরা ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করছেন ফেরদৌসী বেগম ও তার পরিবার। অসুস্থ বৃদ্ধ মা এবং তিন সন্তান নিয়ে এ পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে।
ঝুপড়ির টিন ছাদ ভাঙাচোরা, মেঝে কাঁধামাটি, বেড়া ছেঁড়া। বর্ষায় ঘরে পানি ঢোকে, শীতে কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাস প্রবেশ করে, আর গ্রীষ্মে ঘর দমবন্ধকর তাপে ভরে যায়। বিদ্যুৎ সংযোগ নেই।
ফেরদৌসী বেগম জানিয়েছেন, তিনি দিনমজুরি বা অন্যের বাড়িতে ঝি-এর কাজ করে সংসার চালান। কিন্তু সবসময় খাবারের জোগান মেলেনা, বিশেষ করে সন্তানদের। সরকারের কোনো সহায়তা এখনো পাননি। “মানুষের সাহায্য-সহযোগীতা পেলে হয়তো বাঁচতে পারবো,” বলেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, পরিবারটির জীবনযাত্রা অত্যন্ত কঠিন। হাটু–কোমর সমান পানির মধ্যে দিয়ে ঝুপড়ি ঘরে যেতে হয়। ২০২৪ সালের বন্যায় পরিবারটি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোমায়রা ইসলাম বলেন, “যদি তারা ভূমিহীন হন এবং আবেদন করেন, আমরা যাচাই করে টিন বা ঘর দেয়ার চেষ্টা করব।”
ফেরদৌসী বেগমের পরিবারকে সাহায্য করতে দেশ-বিদেশের বৃত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।
যোগাযোগ:
বিকাশ/নগদ: 0134-33 23 651 (ফেরদৌসী বেগম)।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার ১১নং নেয়াজপুর ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের নেয়ামতপুর গ্রামের খালপাড়ে ভাঙাচোরা ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করছেন ফেরদৌসী বেগম ও তার পরিবার। অসুস্থ বৃদ্ধ মা এবং তিন সন্তান নিয়ে এ পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে।
ঝুপড়ির টিন ছাদ ভাঙাচোরা, মেঝে কাঁধামাটি, বেড়া ছেঁড়া। বর্ষায় ঘরে পানি ঢোকে, শীতে কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাস প্রবেশ করে, আর গ্রীষ্মে ঘর দমবন্ধকর তাপে ভরে যায়। বিদ্যুৎ সংযোগ নেই।
ফেরদৌসী বেগম জানিয়েছেন, তিনি দিনমজুরি বা অন্যের বাড়িতে ঝি-এর কাজ করে সংসার চালান। কিন্তু সবসময় খাবারের জোগান মেলেনা, বিশেষ করে সন্তানদের। সরকারের কোনো সহায়তা এখনো পাননি। “মানুষের সাহায্য-সহযোগীতা পেলে হয়তো বাঁচতে পারবো,” বলেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, পরিবারটির জীবনযাত্রা অত্যন্ত কঠিন। হাটু–কোমর সমান পানির মধ্যে দিয়ে ঝুপড়ি ঘরে যেতে হয়। ২০২৪ সালের বন্যায় পরিবারটি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোমায়রা ইসলাম বলেন, “যদি তারা ভূমিহীন হন এবং আবেদন করেন, আমরা যাচাই করে টিন বা ঘর দেয়ার চেষ্টা করব।”
ফেরদৌসী বেগমের পরিবারকে সাহায্য করতে দেশ-বিদেশের বৃত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।
যোগাযোগ:
বিকাশ/নগদ: 0134-33 23 651 (ফেরদৌসী বেগম)।

আপনার মতামত লিখুন