অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সরকারি অর্থের অপচয় রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে চার শর্ত ছাড়া কোনো প্রকল্প অনুমোদন না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২৪তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিনিয়োগকৃত টাকার যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করা। প্রকল্প থেকে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক বা সামাজিক সুফল আসা। নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।পরিবেশের ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব না ফেলা। প্রায় ২৪ বছর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী থাকাকালে তিনি ঢাকায় দেশের প্রথম আইটি ইনকিউবেটর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ধারাবাহিক তদারকির অভাবে সেখান থেকে পূর্ণ সুবিধা মেলেনি। চুয়েটের আইটি ইনকিউবেটর থেকেও কোনো ভালো ফলাফল আসছে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি।চুয়েট আইটি ইনকিউবেটরের ওপর বিশ্ববিদ্যালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির ত্রিপক্ষীয় নিয়ন্ত্রণকে কাজের প্রতিবন্ধক হিসেবে উল্লেখ করেন। এটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরের বিষয় হওয়ায় চুয়েটকেই এর পূর্ণ পরিচালনার দায়িত্ব ও আউটপুট তৈরির পরিকল্পনা নেওয়ার পরামর্শ দেন। ঢাকায় ফিরে আইসিটি মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির সঙ্গে বৈঠক করে এই জটিলতার স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের উদ্ভাবনী ধারণা ও চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মানসিকতার প্রশংসা করে প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে সংস্থাকে দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সরকারি অর্থের অপচয় রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে চার শর্ত ছাড়া কোনো প্রকল্প অনুমোদন না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২৪তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিনিয়োগকৃত টাকার যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করা। প্রকল্প থেকে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক বা সামাজিক সুফল আসা। নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।পরিবেশের ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব না ফেলা। প্রায় ২৪ বছর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী থাকাকালে তিনি ঢাকায় দেশের প্রথম আইটি ইনকিউবেটর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ধারাবাহিক তদারকির অভাবে সেখান থেকে পূর্ণ সুবিধা মেলেনি। চুয়েটের আইটি ইনকিউবেটর থেকেও কোনো ভালো ফলাফল আসছে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি।চুয়েট আইটি ইনকিউবেটরের ওপর বিশ্ববিদ্যালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির ত্রিপক্ষীয় নিয়ন্ত্রণকে কাজের প্রতিবন্ধক হিসেবে উল্লেখ করেন। এটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরের বিষয় হওয়ায় চুয়েটকেই এর পূর্ণ পরিচালনার দায়িত্ব ও আউটপুট তৈরির পরিকল্পনা নেওয়ার পরামর্শ দেন। ঢাকায় ফিরে আইসিটি মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির সঙ্গে বৈঠক করে এই জটিলতার স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের উদ্ভাবনী ধারণা ও চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মানসিকতার প্রশংসা করে প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে সংস্থাকে দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন