২৩ সেপ্টেম্বর, ঢাকা:
নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে পুলিশের জন্য ৪০ হাজার বডি-ক্যামেরা আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “নির্বাচনের সময় পুলিশদের ৪০ হাজার বডি-ক্যামেরা দেওয়া হবে। পুলিশের এটা লাগবে। এ প্রস্তাব আমরা অনুমোদন করেছি। দ্রুত এটা আনতে হবে।”
খরচ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা জানান, কয়েকশ’ কোটি টাকা ব্যয় হবে। নির্দিষ্ট অঙ্ক এখন বলা সম্ভব নয়। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় নির্বাচন খাতের বরাদ্দ থেকে এই অর্থ যোগান দেবে।
ক্যামেরা কেন ইউএনডিপির মাধ্যমে আনা হবে—এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা টিকা আনি ইউনিসেফের মাধ্যমে। কারণ টেন্ডার করলে মান ও দামের ঝুঁকি থাকে। ইউএনডিপি মান ও দামের নিশ্চয়তা দেবে। এতে আমাদের আলাদা করে কারও সঙ্গে দর কষাকষি করতে হবে না।”
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আরও জানান, এ অর্থ বাংলাদেশ সরকারের কোষাগার থেকেই দেওয়া হবে। তবে এই ক্যামেরা সরাসরি পুলিশকে দেওয়া হবে, নির্বাচন কমিশনকে নয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
২৩ সেপ্টেম্বর, ঢাকা:
নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে পুলিশের জন্য ৪০ হাজার বডি-ক্যামেরা আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “নির্বাচনের সময় পুলিশদের ৪০ হাজার বডি-ক্যামেরা দেওয়া হবে। পুলিশের এটা লাগবে। এ প্রস্তাব আমরা অনুমোদন করেছি। দ্রুত এটা আনতে হবে।”
খরচ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা জানান, কয়েকশ’ কোটি টাকা ব্যয় হবে। নির্দিষ্ট অঙ্ক এখন বলা সম্ভব নয়। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় নির্বাচন খাতের বরাদ্দ থেকে এই অর্থ যোগান দেবে।
ক্যামেরা কেন ইউএনডিপির মাধ্যমে আনা হবে—এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা টিকা আনি ইউনিসেফের মাধ্যমে। কারণ টেন্ডার করলে মান ও দামের ঝুঁকি থাকে। ইউএনডিপি মান ও দামের নিশ্চয়তা দেবে। এতে আমাদের আলাদা করে কারও সঙ্গে দর কষাকষি করতে হবে না।”
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আরও জানান, এ অর্থ বাংলাদেশ সরকারের কোষাগার থেকেই দেওয়া হবে। তবে এই ক্যামেরা সরাসরি পুলিশকে দেওয়া হবে, নির্বাচন কমিশনকে নয়।

আপনার মতামত লিখুন