মৃত্যুপুরীতে রূপ নিচ্ছে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়ক।
এস.এম. নাহিদ:
ঢাকার পূর্বাচল ৩০০ ফিট সড়ক এখন যেন এক নির্মম মৃত্যুপুরী। ফুটওভারব্রিজ, জেব্রা ক্রসিং ও কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অভাবে প্রতিনিয়ত প্রাণ যাচ্ছে নিরীহ মানুষের। এ অবস্থার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল থেকে বালুব্রীজ সংলগ্ন মস্তুল এলাকায় সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসী। এতে হাজারো শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। ফলে দীর্ঘ যানজটে অচল হয়ে পড়ে পুরো সড়ক।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করে বলেন, মস্তুল ও পিংক সিটি এলাকায় ফুটওভারব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। অথচ এই সড়ক ঘিরেই রয়েছে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিল্প-কারখানা ও আবাসিক এলাকা। প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী ও শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার করছেন। নেই কোনো পুলিশ বক্স, নেই জেব্রা ক্রসিং, নেই ন্যূনতম নিরাপত্তাব্যবস্থা।
তাদের ভাষায়, দ্রুতগতির মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার ও ট্রাকের ধাক্কায় একের পর এক মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। স্থানীয়দের হিসাব অনুযায়ী, কুড়িল থেকে কাঞ্চন পর্যন্ত সাড়ে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কে এ পর্যন্ত অন্তত ৭০ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুধু মস্তুল এলাকাতেই প্রাণ গেছে ২৬ জনের। গত দুই মাসে আরও ১৫ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন বহু মানুষ।
প্রাণ হারানোদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষার্থী, প্রবাসী, দিনমজুর ও চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। কিন্তু কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে সড়কটি আজ বিভীষিকাময় মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আরও প্রাণ যাওয়ার আগে অবিলম্বে ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ, জেব্রা ক্রসিং স্থাপন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার নিশ্চয়তা দিতে হবে। নইলে পরবর্তীতে আরও বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া হবে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৫
মৃত্যুপুরীতে রূপ নিচ্ছে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়ক।
এস.এম. নাহিদ:
ঢাকার পূর্বাচল ৩০০ ফিট সড়ক এখন যেন এক নির্মম মৃত্যুপুরী। ফুটওভারব্রিজ, জেব্রা ক্রসিং ও কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অভাবে প্রতিনিয়ত প্রাণ যাচ্ছে নিরীহ মানুষের। এ অবস্থার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল থেকে বালুব্রীজ সংলগ্ন মস্তুল এলাকায় সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসী। এতে হাজারো শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। ফলে দীর্ঘ যানজটে অচল হয়ে পড়ে পুরো সড়ক।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করে বলেন, মস্তুল ও পিংক সিটি এলাকায় ফুটওভারব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। অথচ এই সড়ক ঘিরেই রয়েছে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিল্প-কারখানা ও আবাসিক এলাকা। প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী ও শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার করছেন। নেই কোনো পুলিশ বক্স, নেই জেব্রা ক্রসিং, নেই ন্যূনতম নিরাপত্তাব্যবস্থা।
তাদের ভাষায়, দ্রুতগতির মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার ও ট্রাকের ধাক্কায় একের পর এক মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। স্থানীয়দের হিসাব অনুযায়ী, কুড়িল থেকে কাঞ্চন পর্যন্ত সাড়ে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কে এ পর্যন্ত অন্তত ৭০ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুধু মস্তুল এলাকাতেই প্রাণ গেছে ২৬ জনের। গত দুই মাসে আরও ১৫ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন বহু মানুষ।
প্রাণ হারানোদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষার্থী, প্রবাসী, দিনমজুর ও চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। কিন্তু কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে সড়কটি আজ বিভীষিকাময় মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আরও প্রাণ যাওয়ার আগে অবিলম্বে ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ, জেব্রা ক্রসিং স্থাপন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার নিশ্চয়তা দিতে হবে। নইলে পরবর্তীতে আরও বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন