উত্তরায় আগুনের ঘটনায় আমাদের এখানে আফরোজাকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। তার শরীরে কোনো পোড়া ক্ষত নেই। ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে তিনি মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রাজধানীর উত্তরায় একটি আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এই অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের স্বামী, স্ত্রী ও তাদের দুই বছরের শিশু সন্তান প্রাণ হারিয়েছেন। তবে ভাগ্যক্রমে বড় সন্তান রাফসান নানির বাসায় থাকায় প্রাণে বেঁচে গেছে।
আফরোজা আক্তার স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ছিলেন এবং তার স্বামী ফজলে রাব্বি এসকেএফ (SK+F) ফার্মাসিউটিক্যালসে কর্মরত ছিলেন।
বাবা-মা দুজনেই কর্মজীবী হওয়ায় তাদের দুই সন্তান সাধারণত উত্তরার নানির বাসায় থাকতো। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় গতরাতে কেবল ছোট ছেলে ফাইয়াজকে নিজেদের বাসায় নিয়ে এসেছিলেন তারা। বড় ছেলে রাফসান নানির বাসায় থেকে যাওয়ায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যায়।
চিকিৎসক ও স্বজনদের মতে, নিহতদের কারো শরীর আগুনে দগ্ধ হয়নি। মূলত আগুনের ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে বা দমবন্ধ হয়ে তারা মারা গেছেন। আফরোজাকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে এবং অন্য দুজনকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আফরোজা আক্তারের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। পরিবারের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
উত্তরায় আগুনের ঘটনায় আমাদের এখানে আফরোজাকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। তার শরীরে কোনো পোড়া ক্ষত নেই। ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে তিনি মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রাজধানীর উত্তরায় একটি আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এই অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের স্বামী, স্ত্রী ও তাদের দুই বছরের শিশু সন্তান প্রাণ হারিয়েছেন। তবে ভাগ্যক্রমে বড় সন্তান রাফসান নানির বাসায় থাকায় প্রাণে বেঁচে গেছে।
আফরোজা আক্তার স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ছিলেন এবং তার স্বামী ফজলে রাব্বি এসকেএফ (SK+F) ফার্মাসিউটিক্যালসে কর্মরত ছিলেন।
বাবা-মা দুজনেই কর্মজীবী হওয়ায় তাদের দুই সন্তান সাধারণত উত্তরার নানির বাসায় থাকতো। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় গতরাতে কেবল ছোট ছেলে ফাইয়াজকে নিজেদের বাসায় নিয়ে এসেছিলেন তারা। বড় ছেলে রাফসান নানির বাসায় থেকে যাওয়ায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যায়।
চিকিৎসক ও স্বজনদের মতে, নিহতদের কারো শরীর আগুনে দগ্ধ হয়নি। মূলত আগুনের ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে বা দমবন্ধ হয়ে তারা মারা গেছেন। আফরোজাকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে এবং অন্য দুজনকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আফরোজা আক্তারের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। পরিবারের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন