ঢাকা, ১৮ অক্টোবর — হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো শাখায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণে অংশ নেওয়া আনসার বাহিনীর ২৫ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের সিএমএইচ ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ২টায় বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো শাখার ৮ নম্বর গেটের পাশে আগুন লাগে। ওই কার্গোতে বিভিন্ন কোম্পানির কেমিক্যাল, গার্মেন্টস, ইলেকট্রনিকস এবং মেশিনারিজ পণ্য সংরক্ষিত ছিল।
ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এছাড়াও সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং বিমানবন্দরের আনসার সদস্যরা সম্মিলিতভাবে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিয়েছে।
উত্তর জোন কমান্ডার মো. গোলাম মৌলাহ তুহিন জানান, “আনসার সদস্যরা অগ্নিকাণ্ডের প্রাথমিক মুহূর্তেই আগুন দেখতে পেয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন এবং ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও সাহসিকতার সঙ্গে প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।”
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী আহত সদস্যদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং সহায়তা নিশ্চিত করছে। বর্তমানে আনসার সদস্যসহ প্রায় এক হাজার মানুষ উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে কাজ করছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৫
ঢাকা, ১৮ অক্টোবর — হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো শাখায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণে অংশ নেওয়া আনসার বাহিনীর ২৫ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের সিএমএইচ ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ২টায় বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো শাখার ৮ নম্বর গেটের পাশে আগুন লাগে। ওই কার্গোতে বিভিন্ন কোম্পানির কেমিক্যাল, গার্মেন্টস, ইলেকট্রনিকস এবং মেশিনারিজ পণ্য সংরক্ষিত ছিল।
ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এছাড়াও সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং বিমানবন্দরের আনসার সদস্যরা সম্মিলিতভাবে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিয়েছে।
উত্তর জোন কমান্ডার মো. গোলাম মৌলাহ তুহিন জানান, “আনসার সদস্যরা অগ্নিকাণ্ডের প্রাথমিক মুহূর্তেই আগুন দেখতে পেয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন এবং ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও সাহসিকতার সঙ্গে প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।”
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী আহত সদস্যদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং সহায়তা নিশ্চিত করছে। বর্তমানে আনসার সদস্যসহ প্রায় এক হাজার মানুষ উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে কাজ করছেন।

আপনার মতামত লিখুন