মোস্তাফিজুর রহমান, জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার ও প্রাপ্যতা নিশ্চিতের দাবিতে জয়পুরহাটে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন, জয়পুরহাট জেলা শাখা।
সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দান থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
ফেডারেশনের জেলা সভাপতি প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
বিক্ষোভ মিছিলে বক্তারা বলেন, “দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে শিক্ষকরা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। অথচ তাদের ন্যায্য দাবি ও প্রাপ্যতা বছরের পর বছর উপেক্ষিত থাকছে— যা শিক্ষাব্যবস্থার মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।”
বক্তারা শিক্ষকদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরেন—
শিক্ষকদের বাড়ি ভাতা ৪৫% নির্ধারণ করা।
চিকিৎসা ভাতা প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা প্রদান।
শতভাগ উৎসব ভাতা নিশ্চিত করা।
প্রস্তাবিত ১,০৭৯টি ইবতেদায়ি মাদরাসা দ্রুত এমপিওভুক্ত করা।
নন-এমপিও শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করা।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সকল বকেয়া ভাতা পরিশোধ করা।
স্বৈরাচারী সরকারের আমলে এমপিওভুক্ত হয়ে যারা এখনও পাওনা পাননি, তাদের বকেয়া নির্বাহী আদেশে নিষ্পত্তি করা।
বক্তারা আরও বলেন, “শিক্ষক সমাজকে অবহেলার ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। শিক্ষকরা আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকলে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান সম্ভব নয়।”
শেষে আয়োজকরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, শিক্ষকদের দাবি বাস্তবায়নে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে তাদের মর্যাদা ও জীবিকা সুরক্ষা নিশ্চিত করা হোক।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৫
মোস্তাফিজুর রহমান, জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার ও প্রাপ্যতা নিশ্চিতের দাবিতে জয়পুরহাটে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন, জয়পুরহাট জেলা শাখা।
সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দান থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
ফেডারেশনের জেলা সভাপতি প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
বিক্ষোভ মিছিলে বক্তারা বলেন, “দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে শিক্ষকরা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। অথচ তাদের ন্যায্য দাবি ও প্রাপ্যতা বছরের পর বছর উপেক্ষিত থাকছে— যা শিক্ষাব্যবস্থার মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।”
বক্তারা শিক্ষকদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরেন—
শিক্ষকদের বাড়ি ভাতা ৪৫% নির্ধারণ করা।
চিকিৎসা ভাতা প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা প্রদান।
শতভাগ উৎসব ভাতা নিশ্চিত করা।
প্রস্তাবিত ১,০৭৯টি ইবতেদায়ি মাদরাসা দ্রুত এমপিওভুক্ত করা।
নন-এমপিও শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করা।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সকল বকেয়া ভাতা পরিশোধ করা।
স্বৈরাচারী সরকারের আমলে এমপিওভুক্ত হয়ে যারা এখনও পাওনা পাননি, তাদের বকেয়া নির্বাহী আদেশে নিষ্পত্তি করা।
বক্তারা আরও বলেন, “শিক্ষক সমাজকে অবহেলার ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। শিক্ষকরা আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকলে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান সম্ভব নয়।”
শেষে আয়োজকরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, শিক্ষকদের দাবি বাস্তবায়নে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে তাদের মর্যাদা ও জীবিকা সুরক্ষা নিশ্চিত করা হোক।

আপনার মতামত লিখুন