সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন, জয়পুরহাট জেলা শাখার উদ্যোগে শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এক বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দান থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভ মিছিলে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
[caption id="attachment_15743" align="alignnone" width="300"]
স্মারকলিপি প্রদানকালে, ছবি: নজরবিডি।[/caption]
বিক্ষোভ মিছিলে বক্তারা বলেন, “দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে হলে শিক্ষকদের মর্যাদা, সম্মান ও ন্যায্য প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা না থাকলে শিক্ষা কার্যক্রমের মানও ব্যাহত হয়।”
বক্তারা তাদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি উপস্থাপন করেন—
শিক্ষকদের বাড়ি ভাতা ৪৫% নির্ধারণ করতে হবে।
চিকিৎসা ভাতা ১,৫০০ টাকা প্রদান করতে হবে।
শতভাগ উৎসব ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রস্তাবিত ১,০৭৯টি ইবতেদায়ি মাদরাসা অবিলম্বে এমপিওভুক্ত করতে হবে।
নন-এমপিও শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত এমপিওভুক্ত করতে হবে।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সকল বকেয়া ভাতা পরিশোধ করতে হবে।
স্বৈরাচারী সরকারের আমলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক যারা এখনও পাওনা পাননি, তাদের পাওনা নির্বাহী আদেশে পরিশোধ করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, “শিক্ষা উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হলেন শিক্ষক। অথচ বছরের পর বছর তাদের ন্যায্য প্রাপ্যতা থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে—যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
আয়োজকরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, অবিলম্বে এসব দাবি বাস্তবায়ন করে শিক্ষকদের মর্যাদা ও জীবিকা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৫
সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন, জয়পুরহাট জেলা শাখার উদ্যোগে শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এক বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দান থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভ মিছিলে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
[caption id="attachment_15743" align="alignnone" width="300"]
স্মারকলিপি প্রদানকালে, ছবি: নজরবিডি।[/caption]
বিক্ষোভ মিছিলে বক্তারা বলেন, “দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে হলে শিক্ষকদের মর্যাদা, সম্মান ও ন্যায্য প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা না থাকলে শিক্ষা কার্যক্রমের মানও ব্যাহত হয়।”
বক্তারা তাদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি উপস্থাপন করেন—
শিক্ষকদের বাড়ি ভাতা ৪৫% নির্ধারণ করতে হবে।
চিকিৎসা ভাতা ১,৫০০ টাকা প্রদান করতে হবে।
শতভাগ উৎসব ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রস্তাবিত ১,০৭৯টি ইবতেদায়ি মাদরাসা অবিলম্বে এমপিওভুক্ত করতে হবে।
নন-এমপিও শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত এমপিওভুক্ত করতে হবে।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সকল বকেয়া ভাতা পরিশোধ করতে হবে।
স্বৈরাচারী সরকারের আমলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক যারা এখনও পাওনা পাননি, তাদের পাওনা নির্বাহী আদেশে পরিশোধ করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, “শিক্ষা উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হলেন শিক্ষক। অথচ বছরের পর বছর তাদের ন্যায্য প্রাপ্যতা থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে—যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
আয়োজকরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, অবিলম্বে এসব দাবি বাস্তবায়ন করে শিক্ষকদের মর্যাদা ও জীবিকা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য।

আপনার মতামত লিখুন