অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণখান থানা বিএনপির আহ্বায়ক হেলাল তালুকদার। প্রধান বক্তা ছিলেন থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম বাবলু। সভায় সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণখান থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম।
উঠান বৈঠকে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ছাড়াও বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হেলাল তালুকদার বলেন,
“বিএনপি কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। চাঁদাবাজি, দখলবাজি কিংবা দুর্নীতি বিএনপির নীতির পরিপন্থী। বিএনপির নামে যারা এসব করছে তারা আসলে আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা।”
তিনি আরও বলেন,
“দক্ষিণখানে কোনো চাঁদাবাজের ঠাঁই হবে না। কেউ চাঁদাবাজি করলে জনগণ জানাবেন, আমরা তাকে আইনের হাতে তুলে দেবো।”
রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“তারেক রহমানের প্রণীত এই ৩১ দফাই পারে দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত ও সুশৃঙ্খল দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করতে হবে।”
তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন,
“রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে বিএনপি দুর্নীতি ও দখলবাজিমুক্ত সমাজ গঠন করবে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করবে।”
বৈঠকের এক পর্যায়ে পুরো স্থান জনসমুদ্রে পরিণত হয়। স্থানীয় শত শত মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। দক্ষিণখানে বিএনপির আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সংগঠন শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে এ আয়োজনকে সফল উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৫
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণখান থানা বিএনপির আহ্বায়ক হেলাল তালুকদার। প্রধান বক্তা ছিলেন থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম বাবলু। সভায় সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণখান থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম।
উঠান বৈঠকে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ছাড়াও বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হেলাল তালুকদার বলেন,
“বিএনপি কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। চাঁদাবাজি, দখলবাজি কিংবা দুর্নীতি বিএনপির নীতির পরিপন্থী। বিএনপির নামে যারা এসব করছে তারা আসলে আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা।”
তিনি আরও বলেন,
“দক্ষিণখানে কোনো চাঁদাবাজের ঠাঁই হবে না। কেউ চাঁদাবাজি করলে জনগণ জানাবেন, আমরা তাকে আইনের হাতে তুলে দেবো।”
রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“তারেক রহমানের প্রণীত এই ৩১ দফাই পারে দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত ও সুশৃঙ্খল দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করতে হবে।”
তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন,
“রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে বিএনপি দুর্নীতি ও দখলবাজিমুক্ত সমাজ গঠন করবে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করবে।”
বৈঠকের এক পর্যায়ে পুরো স্থান জনসমুদ্রে পরিণত হয়। স্থানীয় শত শত মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। দক্ষিণখানে বিএনপির আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সংগঠন শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে এ আয়োজনকে সফল উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন