ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, “আমরা ক্লোন করা ও অবৈধভাবে আমদানি করা ফোন বন্ধ করবো। এখানে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।” তিনি অবৈধ ফোনের বিভিন্ন অপরাধের কথা উল্লেখ করেন, যার মধ্যে রয়েছে সিমের ভুল রেজিস্ট্রেশন, জুয়ার লিংক ও এমএলএম প্রতারণার বাল্ক এসএমএস, অনলাইন জুয়া ও স্ক্যামিং, এবং অবৈধ ক্লোন ফোনের আমদানি।
তিনি বলেন, “নাগরিক, সমাজ, অর্থনীতি ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এ কার্যক্রমের আওতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানি এবং অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতা থাকবে।
ফয়েজ আহমদ আরও জানান, বর্তমানে এক আইএমইআই কোডের বিপরীতে একাধিক ফোন তৈরি ও আমদানি হচ্ছে, যা এনইআইআর চালুর মাধ্যমে বন্ধ হবে। এনবিআরের সঙ্গে আলোচনা করে আমদানি শুল্ক কমানোর জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং শীঘ্রই এনবিআর চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক হবে।
তিনি জানান, বৈধ মোবাইল ফোনের দাম কমাতে যা যা করা দরকার তা করা হবে এবং ১৬ ডিসেম্বরের আগে অ্যাকটিভ সব ফোন বৈধভাবে রেজিস্ট্রেশন করা হবে। প্রবাসীরা নিয়ম মেনে এক বা দুটো ফোন আনতে পারবেন এবং তাদের জন্য রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহজ করা হবে।
ফয়েজ আহমদ আরও বলেন, “এখন থেকে অবৈধভাবে আমদানি করা ফোনের জন্য কোনো সুযোগ থাকবে না। সৎ পথে ব্যবসা করলে মোবাইল ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না।”
সরকারের এই উদ্যোগ দেশের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অবৈধ ফোনের প্রবাহ রোধ করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ নভেম্বর ২০২৫
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, “আমরা ক্লোন করা ও অবৈধভাবে আমদানি করা ফোন বন্ধ করবো। এখানে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।” তিনি অবৈধ ফোনের বিভিন্ন অপরাধের কথা উল্লেখ করেন, যার মধ্যে রয়েছে সিমের ভুল রেজিস্ট্রেশন, জুয়ার লিংক ও এমএলএম প্রতারণার বাল্ক এসএমএস, অনলাইন জুয়া ও স্ক্যামিং, এবং অবৈধ ক্লোন ফোনের আমদানি।
তিনি বলেন, “নাগরিক, সমাজ, অর্থনীতি ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এ কার্যক্রমের আওতায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানি এবং অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতা থাকবে।
ফয়েজ আহমদ আরও জানান, বর্তমানে এক আইএমইআই কোডের বিপরীতে একাধিক ফোন তৈরি ও আমদানি হচ্ছে, যা এনইআইআর চালুর মাধ্যমে বন্ধ হবে। এনবিআরের সঙ্গে আলোচনা করে আমদানি শুল্ক কমানোর জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং শীঘ্রই এনবিআর চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক হবে।
তিনি জানান, বৈধ মোবাইল ফোনের দাম কমাতে যা যা করা দরকার তা করা হবে এবং ১৬ ডিসেম্বরের আগে অ্যাকটিভ সব ফোন বৈধভাবে রেজিস্ট্রেশন করা হবে। প্রবাসীরা নিয়ম মেনে এক বা দুটো ফোন আনতে পারবেন এবং তাদের জন্য রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহজ করা হবে।
ফয়েজ আহমদ আরও বলেন, “এখন থেকে অবৈধভাবে আমদানি করা ফোনের জন্য কোনো সুযোগ থাকবে না। সৎ পথে ব্যবসা করলে মোবাইল ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না।”
সরকারের এই উদ্যোগ দেশের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অবৈধ ফোনের প্রবাহ রোধ করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন