সিসিটিভি স্থাপন ও পরিচালনায় অতিরিক্ত ব্যয় এবং পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় ইসি নিজ উদ্যোগে এ ব্যবস্থা নিতে আগ্রহী নয়। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগ্রহ থাকায় তাদের মাধ্যমেই সিসিটিভি মনিটরিংয়ের কাজ বাস্তবায়ন করতে চায় সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমন্বয় বৈঠকের কার্যপত্রে জানানো হয়, গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করে কার্যকর মনিটরিং নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১৪তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সিসিটিভি ব্যবহারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসির কাছে অতিরিক্ত অর্থ সহায়তা চাইলেও কমিশন তাতে অসম্মতি জানায়। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানে আগে থেকেই সিসিটিভি আছে, সেসব কেন্দ্র ব্যবহারের জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তালিকা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে ইসি।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, দেশে মোট ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯টি। অস্থায়ী কেন্দ্র রয়েছে ১৪টি।
এদিকে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ভোটকেন্দ্রগুলোর ঝুঁকিবিষয়ক মূল্যায়ন শেষে জানিয়েছে—৮ হাজার ২২৬টি কেন্দ্র ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ এবং ২০ হাজার ৪৩৭টি ‘ঝুঁকিপূর্ণ’। অর্থাৎ মোট কেন্দ্রের ৬৭ শতাংশই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভৌত অবকাঠামো, থানার দূরত্ব ও কেন্দ্রসংলগ্ন প্রভাবশালীদের অবস্থান ইত্যাদি বিবেচনায় এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবার বাড়তে পারে ফোর্স মোতায়েনের পরিমাণ। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১ লাখ ২৬ হাজার ৭২ জন পুলিশ, ৫ লাখ ১৪ হাজার ২৮৮ জন আনসার, বিজিবির ১ হাজার ১১৫ প্লাটুন, কোস্টগার্ডের ৭৫ প্লাটুন, র্যাবের ৬০০ টিম, সেনাবাহিনীর ৩৮ হাজার ১৫৪ জন ও নৌবাহিনীর ২ হাজার ৮২৭ সদস্য দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
আগামী নির্বাচনে নিরাপত্তা জোরদারে ইসি আরও যে পদক্ষেপ নিচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে—অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, বৈধ অস্ত্র প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা, পোস্টার-ব্যানার অপসারণ, রিটার্নিং অফিসারদের কার্যালয় ও বাসস্থানের নিরাপত্তা বৃদ্ধি, পার্বত্য ও দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টার সহায়তা, বিদেশী সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং ড্রোন ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ।
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে গণভোট ও সংসদ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫
সিসিটিভি স্থাপন ও পরিচালনায় অতিরিক্ত ব্যয় এবং পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় ইসি নিজ উদ্যোগে এ ব্যবস্থা নিতে আগ্রহী নয়। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগ্রহ থাকায় তাদের মাধ্যমেই সিসিটিভি মনিটরিংয়ের কাজ বাস্তবায়ন করতে চায় সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমন্বয় বৈঠকের কার্যপত্রে জানানো হয়, গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করে কার্যকর মনিটরিং নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১৪তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সিসিটিভি ব্যবহারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসির কাছে অতিরিক্ত অর্থ সহায়তা চাইলেও কমিশন তাতে অসম্মতি জানায়। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানে আগে থেকেই সিসিটিভি আছে, সেসব কেন্দ্র ব্যবহারের জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তালিকা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে ইসি।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, দেশে মোট ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯টি। অস্থায়ী কেন্দ্র রয়েছে ১৪টি।
এদিকে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ভোটকেন্দ্রগুলোর ঝুঁকিবিষয়ক মূল্যায়ন শেষে জানিয়েছে—৮ হাজার ২২৬টি কেন্দ্র ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ এবং ২০ হাজার ৪৩৭টি ‘ঝুঁকিপূর্ণ’। অর্থাৎ মোট কেন্দ্রের ৬৭ শতাংশই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভৌত অবকাঠামো, থানার দূরত্ব ও কেন্দ্রসংলগ্ন প্রভাবশালীদের অবস্থান ইত্যাদি বিবেচনায় এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবার বাড়তে পারে ফোর্স মোতায়েনের পরিমাণ। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১ লাখ ২৬ হাজার ৭২ জন পুলিশ, ৫ লাখ ১৪ হাজার ২৮৮ জন আনসার, বিজিবির ১ হাজার ১১৫ প্লাটুন, কোস্টগার্ডের ৭৫ প্লাটুন, র্যাবের ৬০০ টিম, সেনাবাহিনীর ৩৮ হাজার ১৫৪ জন ও নৌবাহিনীর ২ হাজার ৮২৭ সদস্য দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
আগামী নির্বাচনে নিরাপত্তা জোরদারে ইসি আরও যে পদক্ষেপ নিচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে—অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, বৈধ অস্ত্র প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা, পোস্টার-ব্যানার অপসারণ, রিটার্নিং অফিসারদের কার্যালয় ও বাসস্থানের নিরাপত্তা বৃদ্ধি, পার্বত্য ও দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টার সহায়তা, বিদেশী সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং ড্রোন ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ।
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে গণভোট ও সংসদ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

আপনার মতামত লিখুন