বিশেষ প্রতিনিধি- মোঃ ছিরু মিয়া
কারাবন্দীদের মানবিক সেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন আরও কঠোর মনোযোগ দিচ্ছে। সেই ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ-উজ-জামান গোপালগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের মূল লক্ষ্য ছিল কারাগারের সার্বিক পরিবেশ—নিরাপত্তা, খাদ্যমান, স্বাস্থ্যসেবা, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম—সরাসরি পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করা।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেন। বিশেষ করে নারী বন্দীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ বাড়ানোর ওপর তিনি জোর দেন। তিনি বলেন, “বন্দীদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। মুক্তির পর তাদের কর্মজীবনে ফিরে যাওয়ার সক্ষমতা তৈরি করতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও বাস্তবস্ম্মত করতে হবে।”
এ ছাড়া তিনি কারাবন্দীদের জন্য মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালু রাখা, চিকিৎসা সেবায় ঘাটতি দূর করা এবং কারাগারের সার্বিক পরিবেশ আরো স্বাস্থ্যসম্মত করার নির্দেশ দেন। কারাগারের খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ও হাসপাতালের কার্যক্রম তিনি সরেজমিন ঘুরে দেখেন এবং প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক পরামর্শ প্রদান করেন।
পরিদর্শনের সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন এবং সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা কারাগারের চলমান কার্যক্রম ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করেন।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ-উজ-জামান কারাগারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ঘুরে দেখে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার ও সেবা উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, “কারাগার শুধু শাস্তি কার্যকরের স্থান নয়—এটি একটি সংশোধন ও পুনর্গঠনের প্রতিষ্ঠান। এখানে মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।” 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫
বিশেষ প্রতিনিধি- মোঃ ছিরু মিয়া
কারাবন্দীদের মানবিক সেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন আরও কঠোর মনোযোগ দিচ্ছে। সেই ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ-উজ-জামান গোপালগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের মূল লক্ষ্য ছিল কারাগারের সার্বিক পরিবেশ—নিরাপত্তা, খাদ্যমান, স্বাস্থ্যসেবা, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম—সরাসরি পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করা।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেন। বিশেষ করে নারী বন্দীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ বাড়ানোর ওপর তিনি জোর দেন। তিনি বলেন, “বন্দীদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। মুক্তির পর তাদের কর্মজীবনে ফিরে যাওয়ার সক্ষমতা তৈরি করতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও বাস্তবস্ম্মত করতে হবে।”
এ ছাড়া তিনি কারাবন্দীদের জন্য মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালু রাখা, চিকিৎসা সেবায় ঘাটতি দূর করা এবং কারাগারের সার্বিক পরিবেশ আরো স্বাস্থ্যসম্মত করার নির্দেশ দেন। কারাগারের খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ও হাসপাতালের কার্যক্রম তিনি সরেজমিন ঘুরে দেখেন এবং প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক পরামর্শ প্রদান করেন।
পরিদর্শনের সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন এবং সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা কারাগারের চলমান কার্যক্রম ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করেন।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ-উজ-জামান কারাগারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ঘুরে দেখে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার ও সেবা উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, “কারাগার শুধু শাস্তি কার্যকরের স্থান নয়—এটি একটি সংশোধন ও পুনর্গঠনের প্রতিষ্ঠান। এখানে মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।” 
আপনার মতামত লিখুন