নজর বিডি

নির্বাচনের আগে প্রার্থী ও রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য আগ্নেয়াস্ত্র নীতিমালা

নির্বাচনের আগে প্রার্থী ও রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য আগ্নেয়াস্ত্র নীতিমালা

জুরুরি নীতিমালা জারি


নির্বাচনের আগে প্রার্থী ও রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগে নীতিমালা...   নিজস্ব প্রতিবেদক  জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও সশস্ত্র রক্ষী (রিটেইনার) নিয়োগ–সংক্রান্ত একটি নীতিমালা জারি করেছে সরকার। ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা–২০২৫’ শীর্ষক এ নীতিমালা আজ সোমবার প্রকাশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নীতিমালায় বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং নির্বাচনকালীন সহিংসতা প্রতিরোধের লক্ষ্যে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে সীমিত পরিসরে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগের বিধান করা হয়েছে। নীতিমালায় ‘রিটেইনার’-এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংসদ নির্বাচনের পদপ্রার্থীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত এবং অনুমোদিত সশস্ত্র ব্যক্তি। নীতিমালার আওতায় আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগের সুযোগ পাবেন সরকার কর্তৃক স্বীকৃত বর্তমান বা সাবেক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিরা এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রার্থীরা। নীতিমালায় আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, আবেদনকারীকে সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হতে হবে অথবা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে। পাশাপাশি উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা প্রয়োজনে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে যাচাইকৃত নিরাপত্তাঝুঁকি থাকতে হবে, শারীরিক ও মানসিকভাবে সক্ষম হতে হবে এবং অস্ত্র সংরক্ষণের নিরাপদ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান অন্যান্য নীতিমালা ও বিধান প্রযোজ্য হবে, তবে ব্যক্তিগত আয়কর প্রদান–সংক্রান্ত শর্ত শিথিলযোগ্য থাকবে। নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, এই নীতিমালার আওতায় দেওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের মেয়াদ থাকবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার তারিখ থেকে পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত। নির্ধারিত সময় শেষে লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স–সংক্রান্ত প্রচলিত নীতিমালার অন্যান্য শর্ত পূরণ হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সাময়িক লাইসেন্সকে সাধারণ লাইসেন্সে রূপান্তর করতে পারবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বা লাইসেন্স বাতিলের পরও কোনো ব্যক্তি অস্ত্র নিজের দখলে রাখলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিটেইনার নিয়োগ প্রসঙ্গে নীতিমালায় বলা হয়েছে, কেবল প্রকৃত নিরাপত্তাঝুঁকি থাকলেই রিটেইনার নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হবে। রাজনৈতিক কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার বা ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে কোনো রিটেইনার নিয়োগ বা অনুমোদন দেওয়া যাবে না। কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা পদপ্রার্থী লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য হলেও আগ্নেয়াস্ত্র ক্রয়ে অসমর্থ বা অনিচ্ছুক হলে বৈধ লাইসেন্সধারী, অস্ত্র ব্যবহারে সক্ষম এবং রিটেইনার হতে আগ্রহী ব্যক্তিকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ রিটেইনার হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন। তবে এ নিয়োগ সংশ্লিষ্ট লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। নীতিমালায় রিটেইনারের যোগ্যতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে এবং ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর; অপরাধমুক্ত ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স থাকতে হবে; আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হতে হবে। সশস্ত্র বাহিনী বা বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সদস্যরা অগ্রাধিকার পাবেন। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতাল থেকে মেডিকেল ফিটনেস সনদ থাকতে হবে। নীতিমালা অনুযায়ী, একজন রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা পদপ্রার্থীর জন্য সর্বোচ্চ একজন রিটেইনার নিয়োগ দেওয়া যাবে এবং নির্ধারিত সময় শেষে রিটেইনারের মেয়াদও স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হবে। এ ছাড়া নীতিমালায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, রিটেইনারের নামে কোনো আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যু করা হবে না। রিটেইনার কেবল অস্ত্র বহন করবেন এবং অস্ত্র–সংক্রান্ত সব দায়ভার লাইসেন্সধারীর ওপর বর্তাবে। নীতিমালার আওতায় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—অস্ত্র বহনের সময় সর্বদা লাইসেন্স ও অনুমোদনপত্র সঙ্গে রাখা, কাউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন বা হয়রানি না করা, নিরাপত্তা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে অস্ত্র ব্যবহার না করা, লাইসেন্স ও অস্ত্র হস্তান্তর না করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্দেশ তাৎক্ষণিকভাবে পালন করা।   কপিরাইট © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


নির্বাচনের আগে প্রার্থী ও রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য আগ্নেয়াস্ত্র নীতিমালা

প্রকাশের তারিখ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

জুরুরি নীতিমালা জারি


নির্বাচনের আগে প্রার্থী ও রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগে নীতিমালা...   নিজস্ব প্রতিবেদক  জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও সশস্ত্র রক্ষী (রিটেইনার) নিয়োগ–সংক্রান্ত একটি নীতিমালা জারি করেছে সরকার। ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা–২০২৫’ শীর্ষক এ নীতিমালা আজ সোমবার প্রকাশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নীতিমালায় বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং নির্বাচনকালীন সহিংসতা প্রতিরোধের লক্ষ্যে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে সীমিত পরিসরে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগের বিধান করা হয়েছে। নীতিমালায় ‘রিটেইনার’-এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংসদ নির্বাচনের পদপ্রার্থীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত এবং অনুমোদিত সশস্ত্র ব্যক্তি। নীতিমালার আওতায় আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগের সুযোগ পাবেন সরকার কর্তৃক স্বীকৃত বর্তমান বা সাবেক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিরা এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রার্থীরা। নীতিমালায় আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, আবেদনকারীকে সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হতে হবে অথবা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে। পাশাপাশি উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা প্রয়োজনে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে যাচাইকৃত নিরাপত্তাঝুঁকি থাকতে হবে, শারীরিক ও মানসিকভাবে সক্ষম হতে হবে এবং অস্ত্র সংরক্ষণের নিরাপদ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান অন্যান্য নীতিমালা ও বিধান প্রযোজ্য হবে, তবে ব্যক্তিগত আয়কর প্রদান–সংক্রান্ত শর্ত শিথিলযোগ্য থাকবে। নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, এই নীতিমালার আওতায় দেওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের মেয়াদ থাকবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার তারিখ থেকে পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত। নির্ধারিত সময় শেষে লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স–সংক্রান্ত প্রচলিত নীতিমালার অন্যান্য শর্ত পূরণ হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সাময়িক লাইসেন্সকে সাধারণ লাইসেন্সে রূপান্তর করতে পারবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বা লাইসেন্স বাতিলের পরও কোনো ব্যক্তি অস্ত্র নিজের দখলে রাখলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিটেইনার নিয়োগ প্রসঙ্গে নীতিমালায় বলা হয়েছে, কেবল প্রকৃত নিরাপত্তাঝুঁকি থাকলেই রিটেইনার নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হবে। রাজনৈতিক কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার বা ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে কোনো রিটেইনার নিয়োগ বা অনুমোদন দেওয়া যাবে না। কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা পদপ্রার্থী লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য হলেও আগ্নেয়াস্ত্র ক্রয়ে অসমর্থ বা অনিচ্ছুক হলে বৈধ লাইসেন্সধারী, অস্ত্র ব্যবহারে সক্ষম এবং রিটেইনার হতে আগ্রহী ব্যক্তিকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ রিটেইনার হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন। তবে এ নিয়োগ সংশ্লিষ্ট লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। নীতিমালায় রিটেইনারের যোগ্যতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে এবং ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর; অপরাধমুক্ত ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স থাকতে হবে; আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হতে হবে। সশস্ত্র বাহিনী বা বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সদস্যরা অগ্রাধিকার পাবেন। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতাল থেকে মেডিকেল ফিটনেস সনদ থাকতে হবে। নীতিমালা অনুযায়ী, একজন রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা পদপ্রার্থীর জন্য সর্বোচ্চ একজন রিটেইনার নিয়োগ দেওয়া যাবে এবং নির্ধারিত সময় শেষে রিটেইনারের মেয়াদও স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হবে। এ ছাড়া নীতিমালায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, রিটেইনারের নামে কোনো আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইস্যু করা হবে না। রিটেইনার কেবল অস্ত্র বহন করবেন এবং অস্ত্র–সংক্রান্ত সব দায়ভার লাইসেন্সধারীর ওপর বর্তাবে। নীতিমালার আওতায় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—অস্ত্র বহনের সময় সর্বদা লাইসেন্স ও অনুমোদনপত্র সঙ্গে রাখা, কাউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন বা হয়রানি না করা, নিরাপত্তা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে অস্ত্র ব্যবহার না করা, লাইসেন্স ও অস্ত্র হস্তান্তর না করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্দেশ তাৎক্ষণিকভাবে পালন করা।   কপিরাইট © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত