ডেস্ক রিপোর্ট | নজরবিডি
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সময় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তারা বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সকাল ৬টা ৩৩ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান। এর কিছুক্ষণ পর সকাল ৬টা ৫৬ মিনিটে স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয় এবং শহীদদের সম্মানে সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।
এরপর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার নেতৃত্বে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের মানুষ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
১৬ ডিসেম্বর প্রত্যুষে ঢাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। দিবসটি উপলক্ষে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনসহ বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো আলোকসজ্জায় সাজানো হয়।
ঢাকাসহ সারাদেশের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপগুলো জাতীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুনে সজ্জিত করা হয়েছে।
বিজয় দিবসের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সর্বোচ্চ সংখ্যক জাতীয় পতাকা নিয়ে প্যারাশুটিং প্রদর্শনের মাধ্যমে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সকাল ১১টা থেকে তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর ফ্লাই-পাস্ট এবং বিজয় দিবস ব্যান্ড শো অনুষ্ঠিত হয়।
‘টিম বাংলাদেশ’-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার দেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে পতাকাবাহী স্কাইডাইভ প্রদর্শন করেন, যা বিশ্বের সর্ববৃহৎ পতাকা-প্যারাশুটিং প্রদর্শনী হিসেবে নতুন রেকর্ড স্থাপন করে।
এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন শহরেও সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর ব্যান্ড শো ও ফ্লাই-পাস্ট প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তিন দিনব্যাপী বিজয় মেলার আয়োজন করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় সংগীত, কুচকাওয়াজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আবৃত্তি, প্রবন্ধ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিজয় দিবসের গান, যাত্রাপালা ‘জেনারেল ওসমানী’, অ্যাক্রোবেটিক শোসহ নানা আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি ৬৪ জেলায় একযোগে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান পরিবেশন করেন নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা।
রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেন। এছাড়া হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশের সব উপাসনালয়ে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত, দেশের শান্তি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
ডেস্ক রিপোর্ট | নজরবিডি
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সময় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তারা বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সকাল ৬টা ৩৩ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান। এর কিছুক্ষণ পর সকাল ৬টা ৫৬ মিনিটে স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয় এবং শহীদদের সম্মানে সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।
এরপর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার নেতৃত্বে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের মানুষ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
১৬ ডিসেম্বর প্রত্যুষে ঢাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। দিবসটি উপলক্ষে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনসহ বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো আলোকসজ্জায় সাজানো হয়।
ঢাকাসহ সারাদেশের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপগুলো জাতীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুনে সজ্জিত করা হয়েছে।
বিজয় দিবসের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সর্বোচ্চ সংখ্যক জাতীয় পতাকা নিয়ে প্যারাশুটিং প্রদর্শনের মাধ্যমে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সকাল ১১টা থেকে তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর ফ্লাই-পাস্ট এবং বিজয় দিবস ব্যান্ড শো অনুষ্ঠিত হয়।
‘টিম বাংলাদেশ’-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার দেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে পতাকাবাহী স্কাইডাইভ প্রদর্শন করেন, যা বিশ্বের সর্ববৃহৎ পতাকা-প্যারাশুটিং প্রদর্শনী হিসেবে নতুন রেকর্ড স্থাপন করে।
এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন শহরেও সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর ব্যান্ড শো ও ফ্লাই-পাস্ট প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তিন দিনব্যাপী বিজয় মেলার আয়োজন করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় সংগীত, কুচকাওয়াজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আবৃত্তি, প্রবন্ধ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিজয় দিবসের গান, যাত্রাপালা ‘জেনারেল ওসমানী’, অ্যাক্রোবেটিক শোসহ নানা আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি ৬৪ জেলায় একযোগে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান পরিবেশন করেন নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা।
রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেন। এছাড়া হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশের সব উপাসনালয়ে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত, দেশের শান্তি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন