নজরবিডি। ঢাকা ২0২৫
দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের মধ্য দিয়েই বিশ্ব মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ ঘটে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের। বাঙালি জাতি ফিরে পায় বিজয়ের এক লাল সূর্য।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিবছরই এই দিনটি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়। ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশে মহান বিজয় দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়ে আসছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। স্বাধীনতা প্রতিটি মানুষের জন্মগত আকাঙ্ক্ষা, প্রতিটি জাতির অস্তিত্বের চূড়ান্ত স্বীকৃতি। এই ইতিহাসকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে চলচ্চিত্র, কবিতা, সাহিত্য, নিবন্ধসহ নানা সৃজনশীল মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তুলে ধরা হচ্ছে।
এই মহান দিবস উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও ‘ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এ আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা। বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় বিএনসিসি প্যারেড, কুচকাওয়াজ, বিশেষ আলোচনা সভা এবং শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা।

এবছরের আয়োজন ছিল কিছুটা ভিন্ন ও গভীর ভাবনায় সমৃদ্ধ। বিজয় দিবস উপলক্ষে শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ তাদের হৃদয়ের অনুভূতি ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। তারা স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের মহান চেতনা ও অগণিত শহীদের আত্মত্যাগ। একই সঙ্গে তুলে ধরেন একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সোনার বাংলার স্বপ্ন।
তারা বলেন, শিক্ষাক্ষেত্র থেকে শুরু করে কর্মজীবন ও সমাজের প্রতিটি স্তরে যদি বৈষম্য ও স্বজনপ্রীতির অবসান ঘটানো যায়, তবেই প্রকৃত অর্থে বিজয়ের মর্যাদা রক্ষা পাবে। তখনই সমুন্নত থাকবে আমাদের জাতীয় অহংকার ও আত্মমর্যাদা।
শিক্ষকরা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন—আমরা যেন মুক্তিযোদ্ধাদের মতোই দৃঢ়তা, সাহস ও অদম্য মনোবল নিয়ে বর্তমান সময়ের সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারি। এই চেতনাই ‘ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এর বিজয় দিবস উদযাপনের মূল অঙ্গীকার।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
নজরবিডি। ঢাকা ২0২৫
দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের মধ্য দিয়েই বিশ্ব মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ ঘটে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের। বাঙালি জাতি ফিরে পায় বিজয়ের এক লাল সূর্য।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিবছরই এই দিনটি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়। ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশে মহান বিজয় দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়ে আসছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। স্বাধীনতা প্রতিটি মানুষের জন্মগত আকাঙ্ক্ষা, প্রতিটি জাতির অস্তিত্বের চূড়ান্ত স্বীকৃতি। এই ইতিহাসকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে চলচ্চিত্র, কবিতা, সাহিত্য, নিবন্ধসহ নানা সৃজনশীল মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তুলে ধরা হচ্ছে।
এই মহান দিবস উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও ‘ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এ আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা। বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় বিএনসিসি প্যারেড, কুচকাওয়াজ, বিশেষ আলোচনা সভা এবং শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা।

এবছরের আয়োজন ছিল কিছুটা ভিন্ন ও গভীর ভাবনায় সমৃদ্ধ। বিজয় দিবস উপলক্ষে শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ তাদের হৃদয়ের অনুভূতি ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। তারা স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের মহান চেতনা ও অগণিত শহীদের আত্মত্যাগ। একই সঙ্গে তুলে ধরেন একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সোনার বাংলার স্বপ্ন।
তারা বলেন, শিক্ষাক্ষেত্র থেকে শুরু করে কর্মজীবন ও সমাজের প্রতিটি স্তরে যদি বৈষম্য ও স্বজনপ্রীতির অবসান ঘটানো যায়, তবেই প্রকৃত অর্থে বিজয়ের মর্যাদা রক্ষা পাবে। তখনই সমুন্নত থাকবে আমাদের জাতীয় অহংকার ও আত্মমর্যাদা।
শিক্ষকরা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন—আমরা যেন মুক্তিযোদ্ধাদের মতোই দৃঢ়তা, সাহস ও অদম্য মনোবল নিয়ে বর্তমান সময়ের সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারি। এই চেতনাই ‘ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এর বিজয় দিবস উদযাপনের মূল অঙ্গীকার।

আপনার মতামত লিখুন