নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
শনিবার দুপুর আড়াইটায় শহীদ ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার বড় ভাইয়ের ইমামতিতে এই বিশাল জামাত সম্পন্ন হয়। দুপুর ১টার আগেই জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজার বিশাল দুটি মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। সময়ের সাথে সাথে মানুষের ভিড় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ছাড়িয়ে ফার্মগেটের খামারবাড়ি, আসাদগেট এবং এমনকি চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। রাজধানীর সব পথ যেন এসে মিশেছিল এক মোহনায়।
শহীদ হাদির শেষ বিদায়ে অংশ নিতে এসেছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এছাড়াও দেশের শীর্ষস্থানীয় সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই জানাজায় শরিক হন। জানাজার আগে শহীদ হাদির ভাইয়ের আবেগঘন বক্তব্যে সেখানে উপস্থিত লাখো মানুষ অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন।
জানাজায় অংশ নেওয়া ৬৫ বছর বয়সী ধানমন্ডির বাসিন্দা ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, "আমার জীবনে অনেক জানাজায় অংশ নিয়েছি, কিন্তু এত বড় জানাজা আর দেখিনি। শহীদ হাদি আজ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।"
মিরপুরের বাসিন্দা মাসুদ রানা এবং মোহাম্মদপুরের আকিব হাসানও একই অনুভূতি প্রকাশ করেন। তাদের মতে, ৭ থেকে ৮ লাখ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে শহীদ হাদি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে কতটা গভীর স্থান করে নিয়েছিলেন।
সংসদ প্লাজা থেকে অশ্রুসিক্ত বিদায় জানানোর পর শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে কবি নজরুলের সমাধি চত্বরে দাফন করা হয়েছে। এর আগে সকাল থেকেই ব্যানার-ফেস্টুন হাতে মিছিল সহকারে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জড়ো হতে থাকেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
শনিবার দুপুর আড়াইটায় শহীদ ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার বড় ভাইয়ের ইমামতিতে এই বিশাল জামাত সম্পন্ন হয়। দুপুর ১টার আগেই জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজার বিশাল দুটি মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। সময়ের সাথে সাথে মানুষের ভিড় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ছাড়িয়ে ফার্মগেটের খামারবাড়ি, আসাদগেট এবং এমনকি চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। রাজধানীর সব পথ যেন এসে মিশেছিল এক মোহনায়।
শহীদ হাদির শেষ বিদায়ে অংশ নিতে এসেছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এছাড়াও দেশের শীর্ষস্থানীয় সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই জানাজায় শরিক হন। জানাজার আগে শহীদ হাদির ভাইয়ের আবেগঘন বক্তব্যে সেখানে উপস্থিত লাখো মানুষ অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন।
জানাজায় অংশ নেওয়া ৬৫ বছর বয়সী ধানমন্ডির বাসিন্দা ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, "আমার জীবনে অনেক জানাজায় অংশ নিয়েছি, কিন্তু এত বড় জানাজা আর দেখিনি। শহীদ হাদি আজ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।"
মিরপুরের বাসিন্দা মাসুদ রানা এবং মোহাম্মদপুরের আকিব হাসানও একই অনুভূতি প্রকাশ করেন। তাদের মতে, ৭ থেকে ৮ লাখ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে শহীদ হাদি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে কতটা গভীর স্থান করে নিয়েছিলেন।
সংসদ প্লাজা থেকে অশ্রুসিক্ত বিদায় জানানোর পর শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে কবি নজরুলের সমাধি চত্বরে দাফন করা হয়েছে। এর আগে সকাল থেকেই ব্যানার-ফেস্টুন হাতে মিছিল সহকারে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জড়ো হতে থাকেন।

আপনার মতামত লিখুন