নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার রাত ৯টার দিকে হলের সামনে একটি ক্রেন নিয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা। এরপর রাত সাড়ে ৯টার দিকে হলের মূল প্রবেশপথে থাকা ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল’ নামটি মুছে সেখানে বড় অক্ষরে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লিখে দেওয়া হয়।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) উপাচার্যের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করে। তাদের অন্যতম দাবি ছিল— বঙ্গবন্ধু হলের নাম পরিবর্তন করে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ ওসমান হাদির নামে এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ফেলানী হল’ রাখা।
ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ জানান, হলের দেয়ালে থাকা ‘ফ্যাসিবাদের আইকন’ শেখ মুজিবের দেয়ালচিত্রগুলো মুছে ফেলা হবে। সেখানে শহীদ ওসমান হাদির স্মৃতি রক্ষার্থে নতুন গ্রাফিতি আঁকা হবে।
শিক্ষার্থীরা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সমর্থন দিয়েছেন, সেই সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
হলের নাম পরিবর্তনের এই ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা হল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে এক অনুষ্ঠানে উপাচার্য জানিয়েছিলেন, শহীদ হাদির পরিবার আজ থেকে ঢাবি পরিবারেরই অংশ।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়া শহীদ ওসমান হাদির আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতেই শিক্ষার্থীরা এই পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার রাত ৯টার দিকে হলের সামনে একটি ক্রেন নিয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা। এরপর রাত সাড়ে ৯টার দিকে হলের মূল প্রবেশপথে থাকা ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল’ নামটি মুছে সেখানে বড় অক্ষরে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লিখে দেওয়া হয়।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) উপাচার্যের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করে। তাদের অন্যতম দাবি ছিল— বঙ্গবন্ধু হলের নাম পরিবর্তন করে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ ওসমান হাদির নামে এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ফেলানী হল’ রাখা।
ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ জানান, হলের দেয়ালে থাকা ‘ফ্যাসিবাদের আইকন’ শেখ মুজিবের দেয়ালচিত্রগুলো মুছে ফেলা হবে। সেখানে শহীদ ওসমান হাদির স্মৃতি রক্ষার্থে নতুন গ্রাফিতি আঁকা হবে।
শিক্ষার্থীরা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সমর্থন দিয়েছেন, সেই সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
হলের নাম পরিবর্তনের এই ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা হল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে এক অনুষ্ঠানে উপাচার্য জানিয়েছিলেন, শহীদ হাদির পরিবার আজ থেকে ঢাবি পরিবারেরই অংশ।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়া শহীদ ওসমান হাদির আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতেই শিক্ষার্থীরা এই পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন