২২ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হাইকমিশনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া এবং হাইকমিশনারকে হুমকির মুখে ফেলার প্রতিবাদ ও নিরাপত্তার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টা থেকে পৌনে ৯টার মধ্যে ‘অখণ্ড হিন্দু রাষ্ট্রসেনা’ নামক একটি উগ্রবাদী সংগঠনের ২০-২৫ জনের একটি দল তিনটি গাড়িতে করে বাংলাদেশ ভবনের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। তারা প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে বাংলা ও হিন্দি ভাষায় বাংলাদেশ বিরোধী উসকানিমূলক স্লোগান দেয় এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহকে সরাসরি হত্যার হুমকি প্রদান করে।

ঘটনাটি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে:
ভারতের দাবি: দিল্লির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে হামলার ঘটনা ঘটেনি। তারা কেবল ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে স্লোগান দিতে এসেছিল।
বাংলাদেশের অবস্থান: বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন ভারতের এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, "একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত এলাকায় এই উগ্রপন্থীরা এতদূর পর্যন্ত আসার সুযোগ পেল কীভাবে?" তিনি নিশ্চিত করেন যে, সেখানে কেবল প্রতিবাদ নয়, বরং হাইকমিশনারকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, মিশনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা এবং বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভিসা সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
২২ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হাইকমিশনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া এবং হাইকমিশনারকে হুমকির মুখে ফেলার প্রতিবাদ ও নিরাপত্তার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টা থেকে পৌনে ৯টার মধ্যে ‘অখণ্ড হিন্দু রাষ্ট্রসেনা’ নামক একটি উগ্রবাদী সংগঠনের ২০-২৫ জনের একটি দল তিনটি গাড়িতে করে বাংলাদেশ ভবনের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। তারা প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে বাংলা ও হিন্দি ভাষায় বাংলাদেশ বিরোধী উসকানিমূলক স্লোগান দেয় এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহকে সরাসরি হত্যার হুমকি প্রদান করে।

ঘটনাটি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে:
ভারতের দাবি: দিল্লির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে হামলার ঘটনা ঘটেনি। তারা কেবল ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে স্লোগান দিতে এসেছিল।
বাংলাদেশের অবস্থান: বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন ভারতের এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, "একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত এলাকায় এই উগ্রপন্থীরা এতদূর পর্যন্ত আসার সুযোগ পেল কীভাবে?" তিনি নিশ্চিত করেন যে, সেখানে কেবল প্রতিবাদ নয়, বরং হাইকমিশনারকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, মিশনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা এবং বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভিসা সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন