২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ফোরামের (বিএফআরএফ) ১০ম দ্বিবার্ষিক মৎস্য সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পুষ্টি ও মেধা বিকাশ: উপদেষ্টা জানান, মাছ কেবল পেট ভরানোর মাধ্যম নয়, এটি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ও ক্যালসিয়ামের আধার যা চোখ, হাড় ও মেধা বিকাশে সহায়ক। বাঙালির মেধা বিকাশে মাছের বড় ভূমিকা রয়েছে।
সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ: দেশের সামুদ্রিক সম্পদের মাত্র ৩০ শতাংশ বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে অতিরিক্ত আহরণ বা 'ওভারফিশিং' নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
প্রযুক্তির অপব্যবহার: তিনি জানান, ২২৩টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলারের মধ্যে প্রায় ৭০টিতে 'সোনার' (SONAR) প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে, যা একবারে সব মাছ তুলে এনে সমুদ্রের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এছাড়া ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ ধরাকেও তিনি অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেন।
নীতিমালা সংস্কার: বর্তমান সরকার 'জাতীয় মৎস্য নীতিমালা' হালনাগাদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মৎস্য আইনে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
জেলেদের প্রণোদনা ও বৈষম্য: কৃষি খাতের তুলনায় মৎস্যজীবীরা কম প্রণোদনা পান উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময় যথাযথ সহায়তা না পাওয়ায় জেলেরা অনেক সময় নিয়ম ভাঙতে বাধ্য হন।
ইলিশ ও পরিবেশ রক্ষা: নদীর নাব্যতা হ্রাস ও দূষণে ইলিশের মাইগ্রেশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিআইডব্লিউটিএ-র সাথে সমন্বয় করে ইলিশের রুটে ড্রেজিং করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. ফারুক-উল ইসলাম।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ফোরামের (বিএফআরএফ) ১০ম দ্বিবার্ষিক মৎস্য সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পুষ্টি ও মেধা বিকাশ: উপদেষ্টা জানান, মাছ কেবল পেট ভরানোর মাধ্যম নয়, এটি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ও ক্যালসিয়ামের আধার যা চোখ, হাড় ও মেধা বিকাশে সহায়ক। বাঙালির মেধা বিকাশে মাছের বড় ভূমিকা রয়েছে।
সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ: দেশের সামুদ্রিক সম্পদের মাত্র ৩০ শতাংশ বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে অতিরিক্ত আহরণ বা 'ওভারফিশিং' নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
প্রযুক্তির অপব্যবহার: তিনি জানান, ২২৩টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলারের মধ্যে প্রায় ৭০টিতে 'সোনার' (SONAR) প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে, যা একবারে সব মাছ তুলে এনে সমুদ্রের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এছাড়া ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ ধরাকেও তিনি অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেন।
নীতিমালা সংস্কার: বর্তমান সরকার 'জাতীয় মৎস্য নীতিমালা' হালনাগাদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মৎস্য আইনে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
জেলেদের প্রণোদনা ও বৈষম্য: কৃষি খাতের তুলনায় মৎস্যজীবীরা কম প্রণোদনা পান উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময় যথাযথ সহায়তা না পাওয়ায় জেলেরা অনেক সময় নিয়ম ভাঙতে বাধ্য হন।
ইলিশ ও পরিবেশ রক্ষা: নদীর নাব্যতা হ্রাস ও দূষণে ইলিশের মাইগ্রেশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিআইডব্লিউটিএ-র সাথে সমন্বয় করে ইলিশের রুটে ড্রেজিং করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. ফারুক-উল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন