নজর বিডি

পলাতক আসামিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ বন্ধ: বিশেষ পরিপত্র জারি ইসির

পলাতক আসামিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ বন্ধ: বিশেষ পরিপত্র জারি ইসির

 ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো ফেরারি বা পলাতক আসামি প্রার্থী হতে পারবেন না। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) নতুন বিধান অনুযায়ী এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এক বিশেষ পরিপত্রের মাধ্যমে 'পলাতক' ও 'অভিযুক্ত' আসামির সংজ্ঞা স্পষ্ট করে সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

পলাতক আসামির ব্যাখ্যা: ইসির পরিপত্রে বলা হয়েছে, পলাতক আসামি বলতে ওই ব্যক্তিকে বোঝাবে যিনি আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর পলাতক হয়েছেন অথবা যিনি শুরু থেকেই মামলার কার্যক্রমে অনুপস্থিত। এছাড়া আদালত কর্তৃক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও নির্দিষ্ট সময়ে যারা আদালতে হাজির হননি, তারাও পলাতক হিসেবে গণ্য হবেন এবং নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা: পলাতক আসামিদের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি কারান্তরীণ ও জামিনে থাকা প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম স্পষ্ট করেছে ইসি:

  • জামিনে থাকা প্রার্থী: ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত প্রার্থীরা যদি জামিনে থাকেন, তবে হলফনামার সাথে আদালত কর্তৃক জামিন লাভের সত্যায়িত অনুলিপি দাখিল করা ঐচ্ছিক বলে বিবেচিত হবে।

  • কারান্তরীণ প্রার্থী: যারা বর্তমানে কারাগারে আটক আছেন, তাদের হলফনামা অবশ্যই জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে।

  • অভিযুক্তের সংজ্ঞা: হলফনামায় 'অভিযুক্ত' বলতে ওই আসামিকে বোঝাবে যার বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক ইতোমধ্যে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করা হয়েছে।

  • ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রার্থী অথবা তাঁর নিয়োজিত নির্বাচনী এজেন্টের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর মনোনয়ন ফরমে উল্লেখ করতে হবে।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে থাকা আইনি বিভ্রান্তি দূর করতেই ইসি এই ব্যাখ্যামূলক পরিপত্র জারি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


পলাতক আসামিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ বন্ধ: বিশেষ পরিপত্র জারি ইসির

প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

 ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো ফেরারি বা পলাতক আসামি প্রার্থী হতে পারবেন না। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) নতুন বিধান অনুযায়ী এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এক বিশেষ পরিপত্রের মাধ্যমে 'পলাতক' ও 'অভিযুক্ত' আসামির সংজ্ঞা স্পষ্ট করে সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

পলাতক আসামির ব্যাখ্যা: ইসির পরিপত্রে বলা হয়েছে, পলাতক আসামি বলতে ওই ব্যক্তিকে বোঝাবে যিনি আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর পলাতক হয়েছেন অথবা যিনি শুরু থেকেই মামলার কার্যক্রমে অনুপস্থিত। এছাড়া আদালত কর্তৃক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও নির্দিষ্ট সময়ে যারা আদালতে হাজির হননি, তারাও পলাতক হিসেবে গণ্য হবেন এবং নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা: পলাতক আসামিদের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি কারান্তরীণ ও জামিনে থাকা প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম স্পষ্ট করেছে ইসি:

  • জামিনে থাকা প্রার্থী: ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত প্রার্থীরা যদি জামিনে থাকেন, তবে হলফনামার সাথে আদালত কর্তৃক জামিন লাভের সত্যায়িত অনুলিপি দাখিল করা ঐচ্ছিক বলে বিবেচিত হবে।

  • কারান্তরীণ প্রার্থী: যারা বর্তমানে কারাগারে আটক আছেন, তাদের হলফনামা অবশ্যই জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে।

  • অভিযুক্তের সংজ্ঞা: হলফনামায় 'অভিযুক্ত' বলতে ওই আসামিকে বোঝাবে যার বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক ইতোমধ্যে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করা হয়েছে।

  • ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রার্থী অথবা তাঁর নিয়োজিত নির্বাচনী এজেন্টের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর মনোনয়ন ফরমে উল্লেখ করতে হবে।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে থাকা আইনি বিভ্রান্তি দূর করতেই ইসি এই ব্যাখ্যামূলক পরিপত্র জারি করেছে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত