২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি
আর এ কারণেই দেশটি বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বজায় রাখতে আগ্রহী।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে ইলেকশন ওয়ার্কিং অ্যালায়েন্স ও ফেয়ার ইলেকশন অ্যাডভাইজরি কমিটি আয়োজিত ‘আগামী জাতীয় নির্বাচন ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহমুদুর রহমান বলেন, “আমি বারবার বলেছি, বাংলাদেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ভারতের জন্য ভয়ের কারণ। কারণ জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশে ভারতের একতরফা ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে। ভারত চায় বাংলাদেশে অস্থিরতা থাকুক, যাতে তারা নিজেদের সুবিধা হাসিল করতে পারে।”
অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার বয়স্ক হলেও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে তারা অনভিজ্ঞ। একজন নেতার প্রধান কাজ হলো সময়মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া। কিন্তু এই সরকারকে দেখে মনে হয় তারা সময় পার করে সমস্যার সমাধান করতে চায়।” আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেন।
জুলাই বিপ্লব পরবর্তী রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, বিপ্লবের পরেও দলগুলো পুরোনো সংকীর্ণ চিন্তা থেকে বের হতে পারছে না। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে ‘সিটিজেন চার্টার’ বা নাগরিক অঙ্গীকার আদায়ের আহ্বান জানান, যেখানে দলগুলো নির্বাচনে কারচুপি বা কেন্দ্র দখল না করার প্রতিশ্রুতি দেবে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত আবদুল মোতালেব সরকার, সাবেক সিনিয়র সচিব ড. খ. ম কবিরুল ইসলাম এবং ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকনসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি
আর এ কারণেই দেশটি বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বজায় রাখতে আগ্রহী।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে ইলেকশন ওয়ার্কিং অ্যালায়েন্স ও ফেয়ার ইলেকশন অ্যাডভাইজরি কমিটি আয়োজিত ‘আগামী জাতীয় নির্বাচন ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহমুদুর রহমান বলেন, “আমি বারবার বলেছি, বাংলাদেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ভারতের জন্য ভয়ের কারণ। কারণ জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশে ভারতের একতরফা ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে। ভারত চায় বাংলাদেশে অস্থিরতা থাকুক, যাতে তারা নিজেদের সুবিধা হাসিল করতে পারে।”
অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার বয়স্ক হলেও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে তারা অনভিজ্ঞ। একজন নেতার প্রধান কাজ হলো সময়মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া। কিন্তু এই সরকারকে দেখে মনে হয় তারা সময় পার করে সমস্যার সমাধান করতে চায়।” আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেন।
জুলাই বিপ্লব পরবর্তী রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, বিপ্লবের পরেও দলগুলো পুরোনো সংকীর্ণ চিন্তা থেকে বের হতে পারছে না। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে ‘সিটিজেন চার্টার’ বা নাগরিক অঙ্গীকার আদায়ের আহ্বান জানান, যেখানে দলগুলো নির্বাচনে কারচুপি বা কেন্দ্র দখল না করার প্রতিশ্রুতি দেবে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত আবদুল মোতালেব সরকার, সাবেক সিনিয়র সচিব ড. খ. ম কবিরুল ইসলাম এবং ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকনসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন