২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) গুলশান ডিএনসিসি নগর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তাদের হাতে বরাদ্দপত্র তুলে দেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। প্রতিটি উদ্যোক্তাকে ব্যবসার জন্য ২০০ বর্গফুট করে জায়গা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, প্রাথমিকভাবে ২৫ জনকে দেওয়া হলেও পর্যায়ক্রমে ১০০ জন নারী উদ্যোক্তাকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে।
অনুষ্ঠানে প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, "ঢাকায় উন্মুক্ত ও সবুজ জায়গার ভয়াবহ সংকট রয়েছে। নাগরিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এবং বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে নগরকে পুনরায় সবুজের ছোঁয়ায় ফিরিয়ে আনা জরুরি। আমরা মূলত 'উইম্যান-লেড গ্রিন স্পেস' (নারী নেতৃত্বাধীন সবুজ এলাকা) তৈরির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নিয়েছি।"
প্রশাসক আরও উল্লেখ করেন যে, এই কার্যক্রমের মাধ্যমে 'ফেমিনিস্ট পলিটিক্যাল ইকোনমিক সেন্স' এবং 'জেন্ডার সেন্ট্রিক গ্রিন ইনফ্রাস্ট্রাকচার' গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, টেকসই নগর ব্যবস্থাপনার জন্য নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক (ইনক্লুসিভ) নগর আন্দোলনের অংশ।
বরাদ্দ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন নারী উদ্যোক্তা সোনিয়া হক। তিনি বলেন, "আগে নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন ছিল। এখন স্থায়ীভাবে নার্সারি করার সুযোগ পাওয়ায় আমাদের ব্যবসা যেমন টিকবে, তেমনি নগরের পরিবেশ রক্ষায়ও আমরা ভূমিকা রাখতে পারব।"
ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত ওসমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) গুলশান ডিএনসিসি নগর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তাদের হাতে বরাদ্দপত্র তুলে দেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। প্রতিটি উদ্যোক্তাকে ব্যবসার জন্য ২০০ বর্গফুট করে জায়গা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, প্রাথমিকভাবে ২৫ জনকে দেওয়া হলেও পর্যায়ক্রমে ১০০ জন নারী উদ্যোক্তাকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে।
অনুষ্ঠানে প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, "ঢাকায় উন্মুক্ত ও সবুজ জায়গার ভয়াবহ সংকট রয়েছে। নাগরিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এবং বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে নগরকে পুনরায় সবুজের ছোঁয়ায় ফিরিয়ে আনা জরুরি। আমরা মূলত 'উইম্যান-লেড গ্রিন স্পেস' (নারী নেতৃত্বাধীন সবুজ এলাকা) তৈরির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নিয়েছি।"
প্রশাসক আরও উল্লেখ করেন যে, এই কার্যক্রমের মাধ্যমে 'ফেমিনিস্ট পলিটিক্যাল ইকোনমিক সেন্স' এবং 'জেন্ডার সেন্ট্রিক গ্রিন ইনফ্রাস্ট্রাকচার' গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, টেকসই নগর ব্যবস্থাপনার জন্য নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক (ইনক্লুসিভ) নগর আন্দোলনের অংশ।
বরাদ্দ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন নারী উদ্যোক্তা সোনিয়া হক। তিনি বলেন, "আগে নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন ছিল। এখন স্থায়ীভাবে নার্সারি করার সুযোগ পাওয়ায় আমাদের ব্যবসা যেমন টিকবে, তেমনি নগরের পরিবেশ রক্ষায়ও আমরা ভূমিকা রাখতে পারব।"
ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত ওসমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন