২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের সাথে সাক্ষাতকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাতে জাতীয় নির্বাচন ছাড়াও গণভোট, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বেসামরিক বিমান চলাচল এবং অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত শ্রম সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাংলাদেশে এক বছরের সফল দায়িত্ব পালন শেষে বিদায় নিতে যাওয়া ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন গত ১৭ মাসে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি ফেব্রুয়ারির নির্বাচন আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া নতুন শ্রম আইনকে ‘অসাধারণ ও ব্যতিক্রমধর্মী’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সংস্কার বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে থাকা ৪৬টি মামলার মধ্যে ৪৫টি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকেও সাধুবাদ জানায় যুক্তরাষ্ট্র।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে অঙ্গীকারবদ্ধ। সব ধরনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও জানান, দেশের শীর্ষ শ্রমিক নেতারা নতুন শ্রম অধ্যাদেশকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন অনুসমর্থন বাংলাদেশের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।
রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তায় একক বৃহত্তম দাতা দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার প্রশংসা করেন ড. ইউনূস। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
বিদায়ী সাক্ষাতে ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনকে বাংলাদেশের ‘বন্ধু’ হিসেবে অভিহিত করে ভবিষ্যতে আবারও দেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান প্রধান উপদেষ্টা। এসময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, নজরবিডি।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের সাথে সাক্ষাতকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাতে জাতীয় নির্বাচন ছাড়াও গণভোট, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বেসামরিক বিমান চলাচল এবং অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত শ্রম সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাংলাদেশে এক বছরের সফল দায়িত্ব পালন শেষে বিদায় নিতে যাওয়া ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন গত ১৭ মাসে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি ফেব্রুয়ারির নির্বাচন আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া নতুন শ্রম আইনকে ‘অসাধারণ ও ব্যতিক্রমধর্মী’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সংস্কার বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে থাকা ৪৬টি মামলার মধ্যে ৪৫টি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকেও সাধুবাদ জানায় যুক্তরাষ্ট্র।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে অঙ্গীকারবদ্ধ। সব ধরনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও জানান, দেশের শীর্ষ শ্রমিক নেতারা নতুন শ্রম অধ্যাদেশকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন অনুসমর্থন বাংলাদেশের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।
রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তায় একক বৃহত্তম দাতা দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার প্রশংসা করেন ড. ইউনূস। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
বিদায়ী সাক্ষাতে ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনকে বাংলাদেশের ‘বন্ধু’ হিসেবে অভিহিত করে ভবিষ্যতে আবারও দেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান প্রধান উপদেষ্টা। এসময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন