নজরবিডি।
এ সময় তিনি সেখানে কবর খনন ও প্রস্তুতির সবশেষ অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনের সময় স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গণিসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকরা কথা বলার চেষ্টা করলেও কোনো মন্তব্য না করেই তিনি স্থান ত্যাগ করেন।
ইন্তেকাল ও সংক্ষিপ্ত জীবনী উল্লেখ্য, গত ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টায় ইন্তেকাল করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করা খালেদা জিয়া ১৯৬০ সালে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরণের পর তিনি বিএনপির হাল ধরেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তাঁর অনমনীয় ভূমিকার কারণে তিনি 'আপসহীন নেত্রী' হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
রাজনৈতিক রেকর্ড ও অবদান ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তাঁর শাসনামলে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা ও নারী শিক্ষার প্রসারে উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু হয়। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। ২০০১ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়া এই নেত্রী সংসদীয় ইতিহাসে কোনো আসনেই পরাজিত না হওয়ার এক অনন্য রেকর্ডের অধিকারী।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে তিনি সব রাজনৈতিক মামলা থেকে খালাস পান। আজ তাঁর প্রয়াণে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
নজরবিডি।
এ সময় তিনি সেখানে কবর খনন ও প্রস্তুতির সবশেষ অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনের সময় স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গণিসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকরা কথা বলার চেষ্টা করলেও কোনো মন্তব্য না করেই তিনি স্থান ত্যাগ করেন।
ইন্তেকাল ও সংক্ষিপ্ত জীবনী উল্লেখ্য, গত ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টায় ইন্তেকাল করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করা খালেদা জিয়া ১৯৬০ সালে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরণের পর তিনি বিএনপির হাল ধরেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তাঁর অনমনীয় ভূমিকার কারণে তিনি 'আপসহীন নেত্রী' হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
রাজনৈতিক রেকর্ড ও অবদান ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তাঁর শাসনামলে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা ও নারী শিক্ষার প্রসারে উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু হয়। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। ২০০১ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়া এই নেত্রী সংসদীয় ইতিহাসে কোনো আসনেই পরাজিত না হওয়ার এক অনন্য রেকর্ডের অধিকারী।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে তিনি সব রাজনৈতিক মামলা থেকে খালাস পান। আজ তাঁর প্রয়াণে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন